Islamic Quote Archives - Bangla Quotes: Bengali Quotes I Bani-বাণী চিরন্তণী [banglaquote.com]

Archive

Category Archives for "Islamic Quote"

ইসমাইল ইবনে মুসা মেঙ্ক এর উক্তি

★অন্যদেরকে অপমান করাটা কখনই তাদের সংশোধন করার উপায় নয়, বরং এতে আরো বেশি ক্ষতি হয় এবং এই ব্যাপারটি প্রমাণ করে দেয় যে আমাদের নিজেদের দিকেই খেয়াল করা প্রয়োজন।-ইসমাইল ইবনে মুসা মেঙ্ক

 

★জীবনের প্রতিটি পরীক্ষা আমাদের জন্য হয় নির্মম অথবা উত্তম হয়, প্রতিটি সমস্যা আমাদেরকে হয় হয় গড়ে তোলে অথবা ভেঙ্গে চুরমার করে ফেলে। আমাদেরকেই বেছে নিতে হবে আমরা কি ক্ষতিগ্রস্তদের দলে ​নাকি জয়ীদের দলে অন্তর্ভুক্ত হতে চাই।- ইসমাইল ইবনে মুসা মেঙ্ক

 

★কখনো কখনো কোন ক্ষত সৃষ্টির সময়ে আমাদের যে কষ্ট হয়, তার চেয়েও বেশি কষ্ট হয় তার ক্ষমা করতে গিয়ে। কিন্তু তবুও, সেই ক্ষমাশীলতা ছাড়া আসলে কোন শান্তি পাওয়া যায় না।- ইসমাইল ইবনে মুসা মেঙ্ক

 

★সন্তানদের জন্য বিয়েকে সহজ করে দেয়া আমাদের জন্য ইবাদাত স্বরূপ। আর তাদের জন্য বিয়েকে কঠিন করে ফেলা একটি পাপ, যা অন্যান্য আরো অনেক পাপের জন্ম দেয়।- ইসমাইল ইবনে মুসা মেঙ্ক

 

★আপনি যখন একাকীত্ব অনুভব করবেন তখন নিজেকে স্মরণ করিয়ে দিবেন, আল্লাহ অন্য সবাইকে দূরে সরিয়ে নিয়েছেন যেন তখন আপনার অন্তরে শুধু তিনি থাকতে পারেন।- ইসমাইল ইবনে মুসা মেঙ্ক

 

★আল্লাহ যদি তার অনুগ্রহ থেকে নিরাশ হওয়াকে নিষিদ্ধ করেই থাকেন, তাহলে যেসব মানুষ আপনার মাঝে হতাশা সৃষ্টি করে তাদের দ্বারা আক্রান্ত হতে নিজেকে প্রশ্রয় দিবেন না।- ইসমাইল ইবনে মুসা মেঙ্ক

 

★বিনয়ী হোন। আপনার অধিকারে যা আছে সেগুলো যেন আপনাকে এমন কথা না ভাবায় যে তারা চিরকাল আপনার কাছে রয়ে যাবে। আমাদের চেয়ে অনেক বেশি ছিলো এমন অনেক মানুষেরই এখন কিছুই নেই। আল্লাহ আমাদেরকে রক্ষা করুন।- ইসমাইল ইবনে মুসা মেঙ্ক

 

★রাগ থেকে দূরে থাকুন, এটা কেবল আপনাকেই যন্ত্রণা দেয়! আপনি যদি সঠিকই হোন, তবে রাগ করার কোন প্রয়োজন নেই। আর আপনি যদি ভুল হন, তাহলে রাগ করার কোন অধিকারই আপনার নেই।- ইসমাইল ইবনে মুসা মেঙ্ক

 

★যে কিছুই অর্জন করেনি তার প্রতি কেউ ঈর্ষান্বিত হয় না। যদি আপনার চারপাশে ঈর্ষার পরিমাণ বেশি হওয়া টের পান, বড় একটা হাসি দিন এবং আল্লাহকে ধন্যবাদ জানান যে আপনার এমন কিছু আছে যা অন্যদের নেই।-ইসমাইল ইবনে মুসা মেঙ্ক

 

★যদি সম্মানিত হতে চান, অন্যদেরকে সম্মান করতে শিখুন।- ইসমাইল ইবনে মুসা মেঙ্ক

 

★সবাই আপনার দুঃখ দেখে দুঃখী হবেনা এবং সবাই আপনার সুখ দেখে সুখী হবেনা। সুতরাং খেয়াল রাখুন কার কাছে আপনি আপনার ব্যক্তিগত কথাগুলো বলছেন।- ইসমাইল ইবনে মুসা মেঙ্ক

 

★সুখ খুঁজে বেড়াচ্ছেন? বলুন আপনার কী কী অভাব? পৃথিবীতে তো তারাই সবচাইতে বেশি প্রশান্ত হৃদয়ের যাদের সাথে তাদের স্রষ্টা আল্লাহর সম্পর্ক সবচাইতে ভালো।- ইসমাইল ইবনে মুসা মেঙ্ক

 

★একটি প্রোফাইল পিকচার আমাদের সম্পর্কে অনেক কথা বলে দেয়, বুঝিয়ে দেয় আমরা কীসের পক্ষে এবং কোন জিনিসের প্রচার করি। খুব খেয়াল করে ছবি বাছাই করুন।- ইসমাইল ইবনে মুসা মেঙ্ক

 

Download full app from the link given below : https://play.google.com/store/apps/details?id=com.arefin.bani

খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাঃ) এর উক্তি

★আমি শহীদের আকাঙ্ক্ষা নিয়ে শত শত যুদ্ধ করেছি, কেন আমি যুদ্ধে শহীদ হলাম না?-খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাঃ)

★আমি চাই আল্লাহর রাস্তায় নিহত হতে, আল্লাহ আমার মনের কথা জানেন।- খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাঃ)

★মানুষের চাওয়া এক রকম, আল্লাহর চাওয়া অন্য রকম।- খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাঃ)

★আল্লাহ যখন কোন বিষয় নির্ধারণ করেন, তখন এটি হয়ে যায়।- খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাঃ)

★কাপুরুষের চোখ কখনও ঘুমাতে পারে না।- খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাঃ)

★পৃথিবী মূর্খ দের ধ্বংস করে, কিন্তু বুদ্ধিমানরা পৃথিবীকে ধ্বংস করছে।- খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাঃ)

★যদি আবু বকর মারা যায় এবং উমার খলিফা হয়, তবে আমরা তার কথা মেনে চলব এবং তারই আনুগত্য করব।- খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাঃ)

★আপনি যদি সত্য হন তবে আপনি টিকে থাকতে পারবেন। আপনি যদি মিথ্যা বলেন তাহলে ধ্বংস হয়ে যাবে।- খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাঃ)

★যখন আমি যুদ্ধক্ষেত্রে থাকি, তখন এটি আমার কাছে বিবাহের রাতে কোন সুন্দরী নারীর সাথে রাত্রীযাপন চেয়ে বেশি পছন্দনীয়।- খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাঃ)

download full app from the link given below : https://play.google.com/store/apps/details?id=com.arefin.bani

ইমাম মালিক এর উক্তি

★ইলম (জ্ঞান) আপনার কাছে এগিয়ে আসার কথা নয়, বরং আপনারই ‘ইলমের (জ্ঞানের) দিকে এগিয়ে যাওয়া উচিত।- ইমাম মালিক (রাহিমাহুল্লাহ)

 

★সুন্নাহ নূহ আলাইহিস সালামের জাহাজের মতন, যে এতে পা রাখল সে মাগফিরাত লাভ করলো, যে এ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলো সে ডুবে গেলো।- ইমাম মালিক (রাহিমাহুল্লাহ)

 

★যে কাজটি আল্লাহর জন্য (আন্তরিকতার সাথে) করা হয় সেটিই রয়ে যায়।- ইমাম মালিক (রাহিমাহুল্লাহ)

 

★নিশ্চয়ই আমি একজন মানুষ, আমি ভুলও করতে পারি এবং সঠিকও হতে পারি। সুতরাং, আমার মতামতের মধ্যে যা কিছু কুরআন এবং সুন্নাহর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ হয় তা গ্রহণ করুন এবং যা কিছু কুরআন এবং সুন্নাহর সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ হয় তা এড়িয়ে যান।- ইমাম মালিক (রাহিমাহুল্লাহ)

 

★ততদিন পর্যন্ত আমি ফাতওয়া দেয়া শুরু করিনি, যতদিন না পর্যন্ত ৭০ জন (আলেম) বলেছিলেন আমি সেই কাজের উপযুক্ত।- ইমাম মালিক (রাহিমাহুল্লাহ)

 

★প্রচুর পরিমাণে আলোচনার মাঝে জ্ঞান নির্ভর করে না, বরং জ্ঞান হলো এমন আলো যা আল্লাহ অন্তরের মাঝে স্থাপন করে দেন।- ইমাম মালিক (রাহিমাহুল্লাহ)

 

★আমি একটা বিষয়ে দশ বছর ধরে গবেষণা করছি কিন্তু এখনো মনস্থির করতে পরিনি।- ইমাম মালিক (রাহিমাহুল্লাহ)

 

★রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাহাবীরা বিভিন্ন দূরবর্তী অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছিলেন, প্রত্যেকের কাছে জ্ঞান সঞ্চিত ছিলো। তুমি যদি একটি মত অনুসরণে জবরদস্তি করো তাহলে ফিতনা সৃষ্টি করবে।- ইমাম মালিক (রাহিমাহুল্লাহ)

 

★কাউকে কোন বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তার জান্নাত ও জাহান্নাম সম্পর্কে চিন্তা করা উচিত এবং জবাব দেয়ার আগে তার আখিরাতের মুক্তি সম্পর্কে ভাবা উচিত।- ইমাম মালিক (রাহিমাহুল্লাহ)

 

download full app from the link given below : https://play.google.com/store/apps/details?id=com.arefin.bani

ইসলামিক উক্তি

★আল্লাহর শপথ! যদি আমি না খেয়ে সারাদিন রোযা রাখি, সারারাত না ঘুমিয়ে সলাতে দাঁড়িয়ে থাকি, আমার সমস্ত সম্পদ আল্লাহর পথে ব্যয় করি; এরপর যদি যারা আল্লাহকে মেনে চলেন এমন মানুষদের প্রতি অন্তরে ভালোবাসা না রেখে এবং যারা আল্লাহর অবাধ্য তাদের প্রতি অন্তরে ঘৃণা না রেখে মারা যাই ; সেই কাজগুলো আমাকে একটুও উপকৃত করবে না।- উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)

 

★গ্রীষ্মের উত্তপ্ত দিনগুলোতে সাওম পালন করা এবং রাতের বেলা সলাতে দাঁড়িয়ে থাকা ছাড়া এই পৃথিবীর আর কোন কিছুকে ছেড়ে যেতে আমি দুঃখবোধ করি না।- উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)

 

★কোন গাইর-মাহরাম নারীর সাথে কখনো একাকী অবস্থান করবেন না, আপনি যদি তাকে কেবল কুরআন শেখাতে যান, তবুও না।- উমার বিন আবদুল আজিজ (রাহিমাহুল্লাহ)

 

★তুমি যদি পারো তো একজন আলেম হও। যদি তা না পারো তবে দ্বীনের জ্ঞানের একজন ছাত্র হও। যদি তা না পারো, তাহলে তাদের প্রতি ভালোবাসা দেখাও। যদি তুমি তা-ও না পারো, তাহলে (অন্ততপক্ষে) তাদের ঘৃণা করো না। – উমার বিন আবদুল আজিজ (রাহিমাহুল্লাহ)

 

★যে ব্যক্তি জ্ঞান ছাড়াই আমল করে সে উপকারের চেয়ে ক্ষতিই বেশি করে।- উমার বিন আবদুল আজিজ (রাহিমাহুল্লাহ)

 

★নিজেকে আল্লাহর রাহমাতসমূহের কথা বেশি করে স্মরণ করিয়ে দিন, কেননা যিনি বেশি বেশি স্মরণ করেন তার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার সম্ভাবনাও বেশি থাকে।- উমার বিন আবদুল আজিজ (রাহিমাহুল্লাহ)

 

★আমি কখনোই কামনা করিনি যে সাহাবায়ে কিরামের মধ্যে মতানৈক্য না থাক। তাদের মতানৈক্য রহমতস্বরূপ।-উমার বিন আবদুল আজিজ (রাহিমাহুল্লাহ)

 

★দুনিয়া নিয়ে দুঃশ্চিন্তা করা অন্তর হলো অন্ধকারাচ্ছন্ন, আখিরাত নিয়ে দুঃশ্চিন্তা করা অন্তর হলো আলোকিত।- উসমান ইবনে আফ্‌ফান (রাঃ)

 

★ অন্তরসমূহ যদি পরিশুদ্ধ হয় তাহলে আল্লাহর গ্রন্থ কুরআনুল কারীমে তাদের তৃষ্ণা কখনো সম্পূর্ণ মিটবে না।- উসমান ইবনে আফ্‌ফান (রাঃ)

 

★আপনার বলা কথাগুলোই প্রকাশ দিবে আপনার অন্তরের গভীরে কী আছে।- আব্দুল কাদির জিলানী

 

★যখন কোন বান্দা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে, সেটা আসলে কেবল মুখে উচ্চারিত কোন বিষয় থাকে না, বরং আল্লাহর করুণা ও রাহমাত প্রাপ্তির কৃতজ্ঞতা স্বীকার অন্তর থেকেও করা হয়।- আব্দুল কাদির জিলানী

 

★নিজের কল্যাণের স্বার্থে এবং আযাব থেকে রেহাই পেতে যথাসম্ভব কম কথা বল। তুমি তোমার আমলনামার পাতাগুলো আড্ডাবাজি দিয়ে পূর্ণ করো না। কেননা, চূড়ান্ত হিসাব-নিকাশের দিনে যে বিষয়টি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে তা হল তোমার জীবনে আল্লাহকে স্মরণ করার মুহূর্তগুলো।- আব্দুল কাদির জিলানী

আলী ইবনে আবু তালিব (রাঃ) এর উক্তি

★যে ব্যক্তি ধৈর্যধারণ করতে পারবে, সে কখনো সফলতা থেকে বঞ্চিত হবেনা। হয়তবা সফল হবার জন্য তার একটু বেশি সময় লাগতে পারে।- আলী ইবনে আবু তালিব (রাঃ)

★সবচেয়ে সুখী ব্যক্তিই সেই যাকে আল্লাহ তা’আলা একজন পূণ্যবতী স্ত্রী দান করেছেন।- আলী ইবনে আবু তালিব (রাঃ)

★যেসব পাপকাজ তোমরা গোপনে করে থাকো সেগুলোকে ভয় করো, কেননা সেসব পাপের সাক্ষী বিচারক স্বয়ং নিজেই।- আলী ইবনে আবু তালিব (রাঃ)

★ অতিরিক্ত সমালোচনা করবেন না। অতিরিক্ত সমালোচনা ঘৃণা এবং খারাপ চরিত্রের দিকে এগিয়ে নিয়ে যায়।- আলী ইবনে আবু তালিব (রাঃ)

★কারো অধঃপতনে আনন্দ প্রকাশ করো না, কেননা ভবিষ্যত তোমার জন্য কী প্রস্তুত করে রেখেছে সে সম্পর্কে তোমার কোন জ্ঞানই নেই।-আলী ইবনে আবু তালিব (রাঃ)

★সেই ব্যক্তিই সবচেয়ে জ্ঞানী ও প্রজ্ঞাবান যিনি পরম করুণাময় আল্লাহর দয়ার ব্যাপারে আশা ও আত্মবিশ্বাস না হারানোর জন্য মানুষকে উপদেশ দেন।- আলী ইবনে আবু তালিব (রাঃ)

★আপনার দ্বারা নেক কাজ সাধিত হলে আল্লাহ তা’আলার প্রশংসা করুন, এবং যখন অসফল হবেন তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন।- আলী ইবনে আবু তালিব (রাঃ)

★আপনার গর্বকে ছুঁড়ে ফেলুন, দাম্ভিকতাকে দমিয়ে দিন আর আপনার কবরকে স্মরণ করুন।- আলী ইবনে আবু তালিব (রাঃ)

★হৃদয় থাকা সকল মানুষের বোধ থাকে না, কান থাকা সকল মানুষই শুনতে পায় না, চোখ থাকা সকল মানুষই দেখতে পায় না।- আলী ইবনে আবু তালিব (রাঃ)

★কল্যাণপ্রাপ্ত তো সেই ব্যক্তি যার নিজের পাপসমূহ তাকে অন্যদের পাপের দিকে অঙ্গুলি নির্দেশ থেকে বিরত রাখে।- আলী ইবনে আবু তালিব (রাঃ)

★জ্ঞানের মত সম্পদ আর নেই, অজ্ঞতার মতন দারিদ্র আর নেই। – আলী ইবনে আবু তালিব (রাঃ)

★ ফুলের মতন হও, যে তাকে দলিত করে তাকেও সে সুগন্ধ বিলায়। – আলী ইবনে আবু তালিব (রাঃ)

★মানুষের সাথে তাদের বুদ্ধি পরিমাণ কথা বলো।- আলী ইবনে আবু তালিব (রাঃ)

★ যে নিজে সতর্কতা অবলম্বন করে না, দেহরক্ষী তাকে বাঁচাতে পারে না। – আলী ইবনে আবু তালিব (রাঃ)

★তোমার যা ভাললাগে তাই জগৎকে দান কর, বিনিময়ে তুমিও অনেক ভালো জিনিস লাভ করবে।- আলী ইবনে আবু তালিব (রাঃ)

★সব দুঃখের মূল এই দুনিয়ার প্রতি অত্যাধিক আকর্ষণ।- আলী ইবনে আবু তালিব (রাঃ)

★যা তুমি নিজে করো না বা করতে পারো না, তা অন্যকে উপদেশ দিও না।- আলী ইবনে আবু তালিব (রাঃ)

★অযাচিত দানই দান, চাহিলে অনেক সময় চক্ষুলজ্জায় লোকে দান করে, কিন্তু তা দান নহে। – আলী ইবনে আবু তালিব (রাঃ)

★আত্মীয়ত্যাগী ধনী অপেক্ষা আত্মীয়বত্সল গরিব ভালো।- আলী ইবনে আবু তালিব (রাঃ)

★বুদ্ধিমানেরা কোনো কিছু প্রথমে অন্তর দিয়ে অনুভব করে, তারপর সে সম্বন্ধে মন্তব্য করে। আর নির্বোধেরা প্রথমেই মন্তব্য করে বসে এবং পরে চিন্তা করে।- আলী ইবনে আবু তালিব (রাঃ)

★যৌবনের অপচয়কৃত সময়ের ক্ষতি অবশ্যই পূরন করতে হবে, যদি তুমি সন্তোষজনক সমাপ্তি অনুসদ্ধান করো।- আলী ইবনে আবু তালিব (রাঃ)

★নিজের মহানুভবতার কথা গোপন রাখো, আর তোমার প্রতি অন্যের মহানুভবতার কথা প্রচার করো।- আলী ইবনে আবু তালিব (রাঃ)

★বুদ্ধিমানেরা বিনয়ের দ্বারা সম্মান অর্জন করে, আর বোকারা ঔদ্ধত্যের দ্বারা অপদস্ত হয়।- আলী ইবনে আবু তালিব (রাঃ)

 

আবদুল্লাহ ইবনে মুবারাক (রাহিমাহুল্লাহ) এর উক্তি

★আমি তিরিশ বছর ব্যয় করেছি আদব শিখতে এবং বিশ বছর ব্যয় করেছি জ্ঞানার্জনে।- আবদুল্লাহ ইবনে মুবারাক (রাহিমাহুল্লাহ)

 

★কোন ব্যক্তি যতক্ষণ জ্ঞানার্জনের পথে থাকে ততক্ষণ সে জ্ঞানী, যখনই সে নিজেকে আলেম বলে মনে করে তখনই সে জাহেল হয়ে যায়।- আবদুল্লাহ ইবনে মুবারাক (রাহিমাহুল্লাহ)

 

★আমাদের অন্তরগুলো যদি শুদ্ধ হতো, তাহলে আল্লাহর স্মরণে (যিকিরে) কখনো আমরা ক্লান্তিবোধ করতাম না।-আবদুল্লাহ ইবনে মুবারাক (রাহিমাহুল্লাহ)

 

★ ততক্ষণ পর্যন্ত যেকোন জ্ঞানের মাধ্যমে কেউ উন্নত হতে পারে না, যতক্ষণ পর্যন্ত সুন্দর আচরণের মাধ্যমে সে তার জ্ঞানকে সৌন্দর্যময় করে।- আবদুল্লাহ ইবনে মুবারাক (রাহিমাহুল্লাহ)

 

★আমি সিরিয়াতে একটি কলম ধার নিয়েছিলাম এবং কলমটি যার তাকে ফেরত দিতে ভুলে গিয়েছিলাম। যখন আমি মারভেতে (ইরানে অবস্থিত) এসে পড়েছিলাম, তখন খেয়াল করলাম কলমটি আমার সাথেই রয়ে গেছে। তাই আমি সিরিয়ায় ফিরে গিয়ে যার কলম তাকে ফেরত দিয়েছিলাম।- আবদুল্লাহ ইবনে মুবারাক (রাহিমাহুল্লাহ)

 

★আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে জ্ঞানার্জন করার চেয়ে উত্তম আর কিছু নেই। এবং আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো জন্য জ্ঞানার্জন করলে তিনি যেমন ঘৃণা করেন তা অন্য কিছুতে করেন না।- আবদুল্লাহ ইবনে মুবারাক (রাহিমাহুল্লাহ)

★যদি কোন ব্যক্তি তার ভাইয়ের মাঝে এমন কিছু দেখে যা সে অপছন্দ করে, সে​ গোপনে ​ভাইটিকে নির্দেশনা দিবে এবং​ একান্তেই ​তাকে নিষেধ করবে। অন্যদিকে, তার কারণে সে পুরষ্কৃত হবে ভাইয়ের দোষ লুকিয়ে রাখার জন্য এবং মন্দ কাজ থেকে তাকে নিষেধ করার জন্য। কিন্তু এখনকার দিনে, যখন কোন ব্যক্তি তার ভাইকে এমন কিছু করতে দেখে যা সে অপছন্দ করে, সে তাকে রাগিয়ে দেয় এবং তার দোষ প্রকাশ করে দেয়।-আবদুল্লাহ ইবনে মুবারাক (রাহিমাহুল্লাহ)

 

★কাপড়ের উপরে কালি হলো আলেমদের জন্য সুগন্ধির ন্যায়।- আবদুল্লাহ ইবনে মুবারাক (রাহিমাহুল্লাহ)

Download full app from the link given below : https://play.google.com/store/apps/details?id=com.arefin.bani

 

ইমাম শাফেয়ী (রহঃ) এর উক্তি

★তাহাজ্জুদের সময়ে করা দু’আ হলো এমন একটি তীরের মতন যা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয় না।- ইমাম শাফেয়ী (রহঃ)

 

 

★দায়িত্ব বেড়ে যাবার আগেই তোমার ইবাদাতের পরিমাণ বাড়িয়ে দাও। কেননা একদিন এমন সময় আসবে যখন যথেষ্ট ইবাদাত করার মতন সময় পাবে না।- ইমাম শাফেয়ী (রহঃ)

 

★তোমরা কি দেখ না সিংহ কেমন নিশ্চুপ হয়ে থাকে তবু সবাই তাকে ভয় করে, কুকুর তো সবসময় ঘেউ ঘেউ করে এবং সবাই তাকে ঘৃণা করে।- ইমাম শাফেয়ী (রহঃ)

 

★আল্লাহকে যারা ভালোবাসেনা, তাদেরকে ভালোবাসবেন না। তারা যদি আল্লাহকে ছেড়ে থাকতে পারে, তারা আপনাকে ছেড়ে চলে যাবে।-ইমাম শাফেয়ী (রহঃ)

 

★যেকথা ভেবে আমার অন্তর প্রশান্ত হয় তা হলো আমার জন্য যা নির্ধারিত আছে তা কখনো আমাকে ছেড়ে যাবে না এবং যা কিছু আমার পাওয়া হয়না তা কখনো আমার জন্য নির্ধারিত ছিলো না।- ইমাম শাফেয়ী (রহঃ)

 

আরো দেখুন

 

★যে ব্যক্তি দাবী করে যে, সে এই দুনিয়া ও তার স্রষ্টাকে একই সাথে ভালবাসে সে আসলে মিথ্যা কথা বলে।- ইমাম শাফেয়ী (রহঃ)

 

★যে আপনার জন্য অন্যদের নামে গীবত করে, সে আপনার নামেও অন্যদের কাছে গীবত করবে।- ইমাম শাফেয়ী (রহঃ)

 

★যাকে আল্লাহভীতি দান করে সম্মানিত করা হয়নি তার আর কোনো সম্মানই নেই।-ইমাম শাফেয়ী (রহঃ)

 

★হাজার জন জ্ঞানীর সাথে যুক্তিতর্কে হয়তো আমি জিতে যাব, কিন্তু একজন মূর্খের সাথে আমি কখনোই পেরে উঠবো না।- ইমাম শাফেয়ী (রহঃ)

 

★কিছু মানুষ পৃথিবী থেকে চলে গেছেন কিন্তু তাদের চরিত্র তাদের আজো বাঁচিয়ে রেখেছে, আর কিছু মানুষ বেঁচে আছে কিন্তু তাদের চরিত্র তাদেরকে মেরে ফেলেছে।- ইমাম শাফেয়ী (রহঃ)

Download full app from the link given below : https://play.google.com/store/apps/details?id=com.arefin.bani

কুরআনের ১০০ টি উপদেশ বাণী 

১। তোমরা সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশিয়ে দিও না। (সূরা বাকারা ২:৪২)

 

২। সৎকার্য নিজে সম্পাদন করার পর অন্যদের করতে বলো। (সূরা বাকারা ২:৪৪)

 

৩। পৃথিবীতে বিবাদ-বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করো না। (সূরা বাকারা ২:৬০)

 

৪। কারো মসজিদ যাওয়ার পথে বাধা সৃষ্টি করো না। (সূরা বাকারা ২:১১৪)

 

৫। কারো অন্ধানুসরণ করো না। (সূরা বাকারা ২:১৭০)

 

৬। প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করো না। [সূরা বাকারা ২:১৭৭]

 

৭। দ্বিনের ব্যাপারে কোনো জবরদস্তি নেই। (সূরা বাকারা ২:২৫৬)

 

৮। যারা তোমাদের সঙ্গে লড়াই করবে, শুধু তাদের সঙ্গে তোমরা লড়াই করো। (সূরা বাকারা ২:১৯০)

 

৯। লড়াইয়ের বিধি মেনে চলো। [সূরা বাকারা ২:১৯১]

 

১০। অনাথদের রক্ষণাবেক্ষণ করো। [সূরা বাকারা ২:২২০]

 

১১। রজঃস্রাব কালে যৌনসঙ্গম করো না। [সূরা বাকারা ২:২২২]

 

১২। শিশুকে পূর্ণ দুই বছর দুগ্ধপান করাও। [সূরা বাকারা ২:২৩৩]

 

১৩। সৎগুণ দেখে শাসক নির্বাচন করো। (সূরা বাকারা ২:২৪৭)

 

১৪। ঘুসে লিপ্ত হয়ো না। (সূরা বাকারা ২:১৮৮)

 

১৫। প্রতিদান কামনা করে দাতব্য বিনষ্ট করো না। [সূরা বাকারা ২:২৬৪]

 

১৬। প্রয়োজনে তাদের সহযোগিতা করো। [সূরা বাকারা ২:২৭৩]

 

১৭। সুদ ভক্ষণ করো না। [সূরা বাকারা ২:২৭৫]

 

১৮। যদি ঋণীঅভাবগ্রস্তহয়তবে তাকে সচ্ছলতা আসা পর্যন্ত সময় দাও। [সূরা বাকারা ২:২৮০]

 

১৯। ঋণের বিষয় লিখে রাখো। [সূরা বাকারা ২:২৮২]

 

২০। আমানত রক্ষা করো। [সূরা বাকারা ২:২৮৩]

 

২১। গোপন তত্ত্ব অনুসন্ধান করো না এবং পরনিন্দা করো না। (সূরা বাকারা ২:২৮৩)

 

২২। সমস্ত নবির প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করো। [সূরা বাকারা ২:২৮৫]

 

২৩। সাধ্যের বাইরে কারো উপর বোঝা চাপিয়ে দিও না। [সূরা বাকারা ২:২৮৬]

 

২৪। তোমরা পরস্পর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ো না। [সূরা আল-ইমরান ৩:১০৩]

 

২৫। ক্রোধ সংবরণ করো। [সূরা আল-ইমরান ৩:১৩৪]

 

২৬। রূঢ় ভাষা ব্যবহার করো না। [সূরা আল-ইমরান ৩:১৫৯]

 

২৭। এই বিশ্বের বিস্ময় ও সৃষ্টি নিয়ে গভীর চিন্তাভাবনা করো। (সূরা আল-ইমরান ৩:১৯১)

 

২৮। পুরুষ ও নারী উভয়ই তাদের কৃতকর্মের সমান প্রতিদান পাবে। (সূরা আল-ইমরান ৩:১৯৫)

 

২৯। মৃতের সম্পদ তার পরিবারের সদস্যসের মাঝে বন্টন করতে হবে। [সূরা নিসা ৪:৭]

 

৩০। উত্তরাধিকারের অধিকার নারীদেরও আছে। [সূরা নিসা ৪:৭]

 

৩১। অনাথদের সম্পদ আত্মসাৎ করো না। [সূরা নিসা ৪১০]

 

৩২। যাদের সাথে রক্তের সম্পর্ক তাদের বিবাহ করো না। [সূরা নিসা ৪:২৩]

 

৩৩। অন্যায়ভাবে কারো সম্পদ ভক্ষণ করো না। [সূরা নিসা ৪:২৯]

 

৩৪। পরিবারের উপর কর্তৃত্ব চালাবে পুরুষ। [সূরা নিসা ৪:৩৪]

 

৩৫। অন্যদের জন্য সদাচারী হও। [সূরা নিসা ৪:৩৬]

 

৩৬। কার্পণ্য করো না। [সূরা নিসা ৪:৩৭]

 

৩৭। বিদ্বেষী হয়ো না। [সূরা নিসা ৪:৫৪]

 

৩৮। মানুষের সাথে ন্যায়বিচার করো। [সূরা নিসা ৪:৫৮]

 

৩৯। একে অপরকে হত্যা করো না। [সূরা নিসা ৪:৯২]

 

৪০। বিশ্বাসঘাতকদের পক্ষ নিয়ে বিতর্ক করো না। [সূরা নিসা ৪:১০৫]

 

৪১। ন্যায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত থেকো। [সূরা নিসা ৪:১৩৫]

 

৪২। সৎকার্যে পরস্পরকে সহযোগিতা করো। [সূরা মায়িদা ৫:২]

 

৪৩। সীমালঙ্ঘনের ব্যাপারে একে অন্যের সহায়তা করো না। [সূরা মায়িদা ৫:২]

 

৪৪। মৃত পশু, রক্ত ও শূয়োরের মাংসা নিষিদ্ধ। [সূরা মায়িদা ৫:৩]

 

৪৫। সৎপরায়ণ হও। [সূরা মায়িদা ৫:৮]

 

৪৬। অপরাধীকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাও। [সূরা মায়িদা ৫:৩৮]

 

৪৭। পাপ ও অবৈধ জিনিসের বিরুদ্ধে শ্রম ব্যয় করো। [সূরা মায়িদা ৫:৬৩]

 

৪৮। মাদক দ্রব্য ও আলকোহল বর্জন করো। [সূরা মায়িদা ৫:৯০]

 

৪৯। জুয়া খেলো না। [সূরা মায়িদা ৫:৯০]

 

৫০। ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের উপাস্যদের গালমন্দ করো না। [সূরা মায়িদা ৫:১০৮]

 

৫১। আধিক্য সত্যের মানদণ্ড নয়। [সূরা আন’আম ৬:১১৬]

 

৫২। মানুষকে প্রতারণা দেওয়ার জন্য ওজনে কম দিও না। [সূরা আন’আম ৬:১৫২]

 

৫৩। অহংকার করো না। [সূরা আ’রাফ ৭:১৩]

 

৫৪। পানাহার করো, কিন্তু অপচয় করো না। [সূরা আ’রাফ ৭:৩১]

 

৫৫। সালাতে উত্তম পোশাক পরিধান করো। [সূরা আ’রাফ ৭:৩১]

 

৫৬। অন্যদের ত্রুটিবিচ্যুতি ক্ষমা করো। [সূরা আ’রাফ ৭:১৯৯]

 

৫৭। যুদ্ধে পশ্চাদ্‌মুখী হয়ো না। [সূরা আনফাল ৮:১৫]

 

৫৮। লোভ-লালসা থেকে সুরক্ষিত থেকো। [সূরা তাগাবুন ৬৪:১৬]

 

৫৯। পবিত্র থেকো। [সূরা তওবা ৯:১০৮]

 

৬০। আল্লাহ্‌ তাআলার অনুগ্রহ হতে নিরাশ হয়ো না। [সূরা ইউসুফ ১২:৮৭]

 

৬১। যারা অজ্ঞতাবশত ভুলত্রুটি করে আল্লাহ্‌ তাআলা তাদেরকে ক্ষমা করবেন। [সূরা নাহ্‌ল ১৬:১১৯]

 

৬২। প্রজ্ঞা ও উত্তম নির্দেশনা দ্বারা আল্লাহ্‌ তাআলার প্রতি আহ্বাব করা উচিত। [সূরা নাহ্‌ল ১৬:১১৯]

 

৬৩। কেউ কারো পাপের বোঝা বহন করবে না। [সূরা ইসরা ১৭:১৫]

 

৬৪। পিতামাতার সাথে সদ্ব্যবহার করো। [সূরা ইসরা ১৭:২৩]

 

৬৫। পিতামাতাকে অশ্রদ্ধা করে কোনো কথা বলো না। [সূরা ইসরা ১৭:২৩]

 

৬৬। অর্থ অপচয় করো না। [সূরা ইসরা ১৭:২৯]

 

৬৭। দারিদ্রের আশঙ্কায় সন্তানসন্ততিকে হত্যা করো না। [সূরা ইসরা ১৭:৩১]

 

৬৮। অবৈধ যৌনাচারে লিপ্ত হয়ো না। [সূরা ইসরা ১৭:৩২]

 

৬৯। যে বিষয়ে জ্ঞান নেই তার অনুবর্তী হয়ো না। [সূরা ইসরা ১৭:৩৬]

 

৭০। শান্তভাবে কথা বলো। [সূরা ত্বা-হা ২০:৪৪]

 

৭১। অনর্থ জিনিস থেকে দূরে থেকো। [সূরা মু’মিনুন ২৩:৩]

 

৭২। অনুমতি ছাড়া কারো গৃহে প্রবেশ করো না। [সূরা নূর ২৪:২৭]

 

৭৩। যারা শুধু আল্লাহ্‌ তাআলার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করেন তিনি তাদেরকে নিরাপত্তা দেন। [সূরা নূর ২৪:৫৫]

 

৭৪। বিনা অনুমতিতে পিতামাতার ব্যক্তিগত ঘরে প্রবেশ করো না। [সূরা নূর ২৪:৫৮]

 

৭৫। বিনয় সহকারে ভূপৃষ্ঠে বিচরণ করো। [সূরা ফুরকান ২৫:৬৩]

 

 মাকে নিয়ে ইসলামিক উক্তি

 

৭৬। এই পৃথিবীতে তুমি তোমার অংশকে উপেক্ষা করো না। [সূরা কাসাস ২৮:৭৭]

 

৭৭। আল্লাহ্‌র সাথে অন্য কোনো বাতিল উপাস্যকে ডেকো না। [সূরা কাসাস ২৮:৮৮]

 

৭৮। সমকামিতায় লিপ্ত হয়ো না। [সূরা আন্‌কাবুত ২৯:২৯]

 

৭৯। সৎকার্যের আদেশ করো এবং অসৎকার্য হতে নিষেধ করো। [সূরা লোকমান ৩১:১৭]

 

৮০। দম্ভভরে ভুপৃষ্ঠে বিচরণ করো না। [সূরা লোকমান ৩১:১৮]

 

৮১। কণ্ঠস্বর অবনমিত রেখো। [সূরা লোকমান ৩১:১৯]

 

৮২। নারীরা যেন তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে। [সূরা আহ্‌যাব ৩৩:৩৩]

 

৮৩। আল্লাহ্‌ তাআলা যাবতীয় পাপ মোচন করে দিতে পারেন। [সূরা যুমার ৩৯:৫৩]

 

৮৪। অভাবগ্রস্তকে খাদ্যদানের প্রতি উৎসাহ প্রদান করো। [সূরা মা’ঊন ১০৭:৩]

 

৮৫। ভালো দ্বারা মন্দ প্রতিহত করো। [সূরা হা-মিম সাজদা ৪১:৩৪]

 

৮৬। যেকোনো বিষয়ে পরামর্শের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নাও। [সূরা শূরা ৪২:৩৮]

 

৮৭। মানুষের সাথে মানিয়ে চলার চেষ্টা করো। [সূরা হুজরাত ৪৯:৯]

 

৮৮। কাউকে পরিহাস করো না। [সূরা হুজরাত ৪৯:১১]

 

৮৯। সন্দেহ থেকে বিরত থেকো। [সূরা হুজরাত ৪৯:১২]

 

৯০। পরনিন্দা করো না। [সূরা হুজরাত ৪৯:১২]

 

৯১। সবচেয়ে আল্লাহ্‌ভীরু ব্যক্তি সবচেয়ে সম্মাননীয়। [সূরা হুজরাত ৪৯:১৩]

 

৯২। অতিথির সম্মান করো। [সূরা যারিয়াত ৫১:২৬]

 

৯৩। দাতব্যকার্যে অর্থ ব্যয় করো। [সূরা হাদিদ ৫৭:৭]

 

৯৪। দ্বিনের মধ্যে বৈরাগ্যের কোনো স্থান নেই। [সূরা হাদিদ ৫৭:২৭]

 

৯৫। জ্ঞানীজনকে আল্লাহ্‌ তাআলা সুউচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করবেন। [সূরা মুজাদালাহ্‌ ৫৮:১১]

 

৯৬। অমুসলিমদের সাথে সদয় ও ন্যায় আচরণ করো। [সূরা মুমতাহিনাহ্‌ ৬০:৮]

 

৯৭। যারা নিরাপত্তা কামনা করছে তাদের সহযোগিতা করো ও নিরাপত্তা দাও। [সূরা তওবা ৯:৬]

 

৯৮। আল্লাহ্‌ তাআলার নিকট ক্ষমাপ্রার্থনা করো। তিনি মহাক্ষমাশীল ও অসীম দয়ালু। [সূরা মুযযাম্মিল ৭৩:২০]

 

৯৯। ভিক্ষুককে ধমক দিও না। [সূরা যুহা ৯৩:১০]

 

১০০। আল্লাহ্‌ তাআলার অনুগ্রহ হতে নিরাশ হয়ো না। [সূরা যুমার ৩৯:৫৩]

 

bangla islamic blog

সাইয়েদ কুতুব এর উক্তি

০১/ যে সমাজে মানবীয় মূল্যবোধ ও নৈতিকতার প্রাধান্য থাকে সে সমাজই সভ্য সমাজ।- সাইয়েদ কুতুব (রহিমাহুল্লাহ)

০২/ আমার কাছে এটা কোন বিষয় নয় যে, আমি কোথায় মরতে যাচ্ছি এবং কিভাবে যালিমরা আমার মৃত্যুদন্ড দেবে। আমিতো এতেই সন্তুষ্ট যে, আমি আল্লাহর একজন অনুগত বান্দা হিসাবে শাহাদতের পেয়ালা পান করতে যাচ্ছি।সাইয়েদ কুতুব (রহিমাহুল্লাহ)

০৩/ কোরআনের ছায়াতলে জীবন অতিবাহিত করতে পারাটা এক বিশাল অনুগ্রহ। এ ব্যাপারটি কেবল তাদের দ্বারাই উপলব্ধি করা সম্ভব যারা এর অভিজ্ঞতা লাভ করতে পেরেছে। এ এক এমন সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা যা জীবনকে উদ্দেশ্যমন্ডিত করে এবং তাকে বাঁচার উপযোগী করে তোলে।- সাইয়েদ কুতুব (রহিমাহুল্লাহ)

০৪/ মতপার্থক্য কখনো বিতর্ক উস্কে দেয় না। অহং-ই (ইগো) মূলত কোন মতবাদে বিশ্বাসী এমন প্রত্যেকেকে বিতর্ক চালিয়ে যাওয়ার জন্য উদ্বুদ্ধ করে যখন তার সামনে পরিস্কার হয়ে যায়, সত্য তার মতবাদে নিহিত নয়। আসলে, সে যখন দাঁড়িপাল্লায় নিজের অহং আর সত্যকে স্থাপন করে শুরুতেই নিজের অহং-এর (ইগো) পাল্লায় ভার বেশী দিয়ে দেয়। – সাইয়েদ কুতুব (রহিমাহুল্লাহ)

০৫/ মু’মিন প্রকৃতপক্ষেই শ্রেষ্ঠ। কারণ তারা যেমন শ্রেষ্ঠ, তেমনি শ্রেষ্ঠ তাঁর আকীদা-বিশ্বাসের উৎস। বিশাল সাম্রাজ্য তার দৃষ্টিতে নগণ্য মাত্র। বিপুল শক্তির অধিকারী ব্যক্তিবর্গ তার নিকট তুচ্ছ। সমাজে প্রচলিত জনপ্রিয় সংখ্যক মানুষকে কোন বিষয় পছন্দ করতে দেখেই মু’মিন সে বিষয়ের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে যায় না।- সাইয়েদ কুতুব (রহিমাহুল্লাহ)

০৬/ মানবজাতির নেতৃত্ব দানের জন্যে আমাদের বৈষয়িক উন্নতি ছাড়া ও ছাড়া আরো অতিরিক্ত কিছু পেশ করতে হবে। আর তা হচ্ছে মানব জীবন সম্পর্কে মৌলিক বিশ্বাস (ঈমান) এবং সে বিশ্বাসের ভিত্তিতে রচিত জীবন বিধান।- সাইয়েদ কুতুব (রহিমাহুল্লাহ)

০৭/ আল্লাহর সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে বিদ্রোহাত্মক আচরণই হচ্ছে জাহিলিয়াতের প্রমাণ।- সাইয়েদ কুতুব (রহিমাহুল্লাহ)

০৮/ আমাদের ঈমানের উৎস হচ্ছে কুরআনের মৌলিক শিক্ষা।- সাইয়েদ কুতুব (রহিমাহুল্লাহ)

Download full app from the link given below : https://play.google.com/store/apps/details?id=com.arefin.bani

হাসান আল-বাসরী (রাহিমাহুল্লাহ) এর উক্তি

০১/ এই দুনিয়াতে কল্যাণময় হচ্ছে জ্ঞানার্জন ও আল্লাহর ইবাদাত করা এবং আখিরাতে কল্যাণময় হচ্ছে জান্নাত।- আল হাসান আল-বাসরী (রাহিমাহুল্লাহ)

০২/ যেসব মানুষ তার সৃষ্টিকর্তার উপরে সন্তুষ্ট হয়নি যদিও তিনি তাদের সবকিছুর দাতা, তারা কীভাবে তাদের মত অন্য একজন সৃষ্টির উপরে সন্তুষ্ট হতে পারে?- আল হাসান আল-বাসরী (রাহিমাহুল্লাহ)

০৩/ আপনি আসলে কতগুলো দিনের সমষ্টি ছাড়া আর কিছুই না। যখন একটি দিন পার হয়ে যায়, আপনার একটি অংশ ক্ষয় হয়ে যায়।- আল হাসান আল-বাসরী (রাহিমাহুল্লাহ)

০৪/মুমিন মুমিনের অংশ। সে তার ভাইয়ের জন্য আয়না স্বরূপ; সে তার ভাইয়ের মধ্যে অপছন্দনীয় কিছু দেখলে তাকে সংশোধন ও ঠিক-ঠাক করে দেবে এবং গোপনে ও প্রকাশ্যে তার কল্যাণ কামনা করবে।- আল হাসান আল-বাসরী (রাহিমাহুল্লাহ)

০৫/ দুনিয়ার জীবনের তুচ্ছ আর ক্ষণস্থায়ী ভোগবিলাস ও আনন্দগুলো যেন আপনাকে মোহগ্রস্ত ও বিভ্রান্ত করতে না পারে এবং সবসময় আগামীকালের কথা বলতে থাকবেন না, কেননা আপনি জানেন না যে কখন আপনাকে আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে চলে যেতে হবে।- আল হাসান আল-বাসরী (রাহিমাহুল্লাহ)

০৬/ আমরা হাসি-ঠাট্টা করি, কিন্তু কে জানে– হয়তো আল্লাহ আমাদের কিছু কাজকর্ম দেখে বলছেন: আমি তোমাদের কাছ থেকে কোনো আমলই গ্রহণ করব না।-আল হাসান আল-বাসরী (রাহিমাহুল্লাহ)

০৭/ পৃথিবীর জীবনটা তিনটি দিনের– গতকালের দিনটিতে যা করা হয়েছে সেগুলো নিয়ে সেটি চলে গেছে; আগামীকালের দিনটিতে হয়ত আপনি না-ও পৌছতে পারেন; কিন্তু আজকের দিনটি আপনার জন্য সুতরাং যা করার আজই করে নিন।-আল হাসান আল-বাসরী (রাহিমাহুল্লাহ)

০৮/ আমি সেসব মানুষদের (সালাফদের) দেখেছিলাম তারা তাদের দিরহাম ও দিনারের (অর্থাৎ, তাদের টাকার) চেয়ে সময়ের প্রতি অনেক বেশি যত্নবান ছিলেন।-আল হাসান আল-বাসরী (রাহিমাহুল্লাহ)

০৯/ নিকৃষ্ট তো সেই মৃতব্যক্তির পরিবারের মানুষগুলো, যারা মৃত মানুষটির জন্য কান্নাকাটি করে অথচ তার রেখে যাওয়া ঋণ পরিশোধ করে না।- আল হাসান আল-বাসরী (রাহিমাহুল্লাহ)

১০/ কম বয়সে কোন কিছু শেখার প্রভাব অনেকটা পাথরের উপরে খোদাই করে লেখার মতন।- আল হাসান আল-বাসরী (রাহিমাহুল্লাহ)

১১/ হে আদমের সন্তানেরা! পৃথিবীর মাটির উপরে যতক্ষণ ইচ্ছা করে হেঁটে নাও কেননা খুব শীঘ্রই সেটা তোমার কবরে পরিণত হয়ে যাবে। মায়ের গর্ভ থেকে বেরিয়ে আসার পর থেকে তো তোমার জীবনের আয়ু কমে যাওয়াকে তুমি ঠেকিয়ে রাখতে পারনি।- আল হাসান আল-বাসরী (রাহিমাহুল্লাহ)

১২/ বুদ্ধিমান ব্যক্তির জিহবা তার হৃদয়ের পেছনে থাকেঃ সে যখন কথা বলতে চায়, প্রথমে সে চিন্তা করে। যদি শব্দগুলো তার জন্য কল্যাণকর হয় তাহলে সে তা বলে। আর যদি কথাগুলো তার জন্য অকল্যাণকর হয় তাহলে সে চুপ থাকে।- আল হাসান আল-বাসরী (রাহিমাহুল্লাহ)

১৩/ একজন মূর্খ ব্যক্তির জিহবা তার হৃদয়ের সামনে থাকেঃ সে কথা বলার সময় খুব কমই চিন্তা করে এবং তার জন্য কল্যাণকর বা অকল্যাণকর যা-ই হোক সে বলে ফেলে।- আল হাসান আল-বাসরী (রাহিমাহুল্লাহ)

১৪/ তোমাদর আগে পৃথিবীতে যারা ছিলেন তারা মনে করতেন মৃত্যু তাদের সন্নিকটে। তাদের একেকজন পবিত্রতা অর্জনের জন্য পানি সংগ্রহ করে নিতেন, প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতেন এবং তারপর ওযু করতেন আল্লাহর নির্দেশের (মৃত্যু) ভয়ে যেন তা এমন অবস্থায় না আসে যখন তিনি পবিত্র অবস্থায় নেই।- আল হাসান আল-বাসরী (রাহিমাহুল্লাহ)

১৫/সালাফগণ রাতে সলাতে দাঁড়িয়ে কুরআন তিলাওয়াত করতেন এবং দিনের বেলা কুরআনের নির্দেশ অনুযায়ী আমল করতেন।- আল হাসান আল-বাসরী (রাহিমাহুল্লাহ)

১৬/আল্লাহর যিকরে, সলাতে এবং কুরআন তিলাওয়াতে যে ব্যক্তি সুখ খুঁজে পায় না, সে অন্য কোথাও তা খুঁজে পাবে না।-আল হাসান আল-বাসরী (রাহিমাহুল্লাহ)

১৭/পারস্পরিক হাত মেলানো (করমর্দন) বন্ধুত্ব বাড়ায়।-আল হাসান আল-বাসরী (রাহিমাহুল্লাহ)

১৮/  একজন মু’মিনের যত গুণাবলী রয়েছে তার মধ্যে শ্রেষ্ঠ হলো ক্ষমাশীলতা।-আল হাসান আল-বাসরী (রাহিমাহুল্লাহ)

১৯/ মন্দের মূল তিনটি এবং শাখা ছয়টি। মূল তিনটি হলো — ১) হিংসা-বিদ্বেষ, ২) লোভ-লালসা এবং ৩) দুনিয়ার প্রতি ভালোবাসা। আর শাখা ছয়টি হলো — ১) নিদ্রা, ২) পেট ভরে খাওয়া, ৩) আরাম-আয়েশ, ৪) নেতৃত্ব, ৫) প্রশংসা পাওয়া ও ৬) গর্ব-অহংকারের প্রতি আকর্ষণ ও ভালোবাসা।-আল হাসান আল-বাসরী (রাহিমাহুল্লাহ)

২০/ আমি এমন মানুষদের (সাহাবা) সান্নিধ্য অর্জন করেছিলাম যারা তাদের কোন সৎকাজকে ছেড়ে দেয়া যতটা ভয় করতেন তা তোমরা তোমাদের পাপকাজের পরিণামকে যতটুকু ভয় কর তার চাইতেও বেশি।-আল হাসান আল-বাসরী (রাহিমাহুল্লাহ)

২১/ দুনিয়ার জীবনকে আখিরাতের জন্য বিক্রি করলে আপনি দুই জীবনেই জয়ী হবেন। আখিরাতের জীবনকে দুনিয়ার জন্য বিক্রি করলে আপনি দুই জীবনেই পরাজিত হবেন।- আল হাসান আল-বাসরী (রাহিমাহুল্লাহ)

Download full app from the link given below : https://play.google.com/store/apps/details?id=com.arefin.bani