1) আর রাহমান – পরম দয়ালু
২) আর রহিম – অতিশয় মেহেরবান
3) আল মালিক – সর্বকর্তৃত্বময়
4) আল কুদ্দুস – অতি পবিত্র
5)আস সালাম – শান্তি দানকারী
6) আল মুমিন – নিরাপত্তা ও ঈমান দানকারী
7) আল মুহাইমিন – পরিপূর্ণ রক্ষণাবেক্ষণকারী
8) আল আজিজ – পরাক্রমশালী
9) আল জাব্বার – দুর্নিবার
10) আল মুতাকাব্বির – নিরঙ্কুশ শ্রেষ্ঠত্বের অধিকারী
11) আল খালিক – সৃষ্টিকর্তা
12) আল বারী – সঠিকভাবে সৃষ্টিকারী
13) আল মুসাউইর – আকৃতি দানকারী
14) আল গাফ্ফার – পরম ক্ষমাশীল
15) আল ক্বাহার – কঠোর
16) আল ওয়াহ্হাব – সবকিছু দানকারী
17) আর রাজ্জাক – রিযিকদাতা
18) আল ফাত্তাহ – বিজয়দানকারী
19) আল আলীম – সর্বজ্ঞ
20) আল কাবিদ্ব – সংকীর্ণকারী
21) আল বাসিত – প্রশস্তকারী
22) আল খাফিদ – অবনতকারী
23) আর রাফী – উন্নতকারী
24) আল মুজিব – সম্মান দানকারী
25) আল মুদ্বিল্ল – (অবিশ্বাসীদের) বেইজ্জতকারী
26) আস সামি – সর্বশ্রোতা
27) আল বাসীর – সর্ববিষয় দর্শনকারী
28) আল হাকাম – অতল বিচারক
29) আল আদল – পরিপূর্ণ ন্যায়বিচারক
30) আল লতিফ – সকল গোপন বিষয়ে অবগত
31) আল খাবির – সকল বিষয়ে জ্ঞাত
32) আল হালিম – অত্যন্ত ধর্য্যশীল
33) আল আজিম – সর্বত্ত মর্যাদাশীল
34) আল গফুর – পরম ক্ষমাশীল
35) আস শাকুর – গুন্গ্রাহী
36) আল আলী – উচ্চ মর্যাদাশীল
37) আল কাবিইর – সুমহান
38) আল হাফীজ – সংরক্ষণকারী
39) আল মুক্বিত – সকলের জীবনোপকরণ দানকারী
40) আল হাসিব – হিসাব গ্রহণকারী
41) আল জলীল- পরম মর্যাদার অধিকারী
42) আল কারীম – সুমহান দাতা
43) আল রাক্বীব – তত্ত্বাবধায়ক
44) আল মুজীব – কবুলকারী
45) আল ওয়াসি – সর্বত্ত বিরাজমান
46) আল হাকীম – পরম প্রজ্ঞাময়
47) আল ওয়াদুদ – (বান্দাদের প্রতি) সদয়
48) আল মাজীদ – সকল মর্যাদার অধিকারী
49) আল বাইস – পুনরুজ্জীবিতকারী
50) আশ শাহীদ – সর্বজ্ঞ স্বাক্ষী
51) আল হাক্ব – পরম সত্য
52) আল ওয়াকিল – পরম নির্ভরযোগ্য কর্ম-সম্পাদনকারী
53) আল ক্বাউইউ – পরম শক্তির অধিকারী
54) আল মাতীন – সুদৃঢ়
55) আল ওয়ালীইউ – অভিভাবক ও সাহায্যকারী
56) আল হামীদ – সকল প্রশংসার অধিকারী
57) আল মুহসি – সকল সৃষ্টির ব্যাপারে অবগত
58) আল মুব্দি – প্রথমবার সৃষ্টিকর্তা
59) আল মুঈদ – পুনরায় সৃষ্টিকর্তা
60) আল মুহয়ি – জীবন দানকারী
61) আল মুমীত – মৃত্যু দানকারী
62) আল হাইয়্যু – চিরঞ্জীব
63) আল ক্বাইয়ূম – সমস্ত কিছুর ধারক ও সংরক্ষণকারী
64) আল ওয়াজীদ – অফুরন্ত ভান্ডারের অধিকারী
65) আল মাজীদ – শ্রেষ্ঠত্বের অধিকারী
66) আল ওয়া’হিদ – এক ও অদ্বিতীয়
67) আল আহাদ – এক
68) আস সামাদ – অমুখাপেক্ষি
69) আল ক্বাদীর – সর্বশক্তিমান
70) আল মুক্তাদির – নিরঙ্কুশ সিদ্ধান্তের অধিকারী
71) আল মুক্বদ্দিম – অগ্রসারক
72) আল মুয়াক্ষীর – অবকাশ দানকারী
73) আল আউয়াল – অনাদি
74) আল আখির – অনন্ত, সর্বশেষ
75) আল জাহির – সম্পূর্ণরূপে প্রকাশিত
76) আল বাত্বিন – দৃষ্টি হতে অদৃশ্য
77) আল ওয়ালী – সমস্ত কিছুর অভিভাবক
78) আল মুতা’আলী – সৃষ্টির গুণাবলীর উর্দ্ধে
79) আল বার্ – পরম উপকারী
80) আত তাওয়াব – তাওবার তৌফিক দানকারী ও কবুলকারী
81) আল মুনতাক্বীম – প্রতিশোধ গ্রহণকারী
82) আল আফঊ – পরম উদার
83) আর রউফ – পরম স্নেহশীল
84) মালিকুল মূলক – সমগ্র জগতের বাদশাহ
85) যুল জালালী ওয়াল ইকরাম – মহিমান্বিত ও দয়াবান সত্তা
86) আল মুক্বসিত – হকদারের হোক আদায়কারী
87) আল জামিই – একত্রকারী, সমবেতকারী
88) আল গানি – অমুখাপেক্ষি ধনী
89) আল মুগনিই – পরম অভাবমোচনকারী
90) আল মানিই – অকল্যাণরোধক
91) আয্ যর – ক্ষতিসাধনকারী
92) আন নাফিই’ – কল্যাণকারী
93) আন নূর – পরম আলো
94) আল হাদী – পথ প্রদর্শক
95) আল বাদীই – অতুলনীয়
96) আল বাক্বী – চিরস্থায়ী, অবিনশ্বর
97) আল ওয়ারিস – উত্তরাধিকারী
98) আর রাশীদ – সঠিক পথ প্রদর্শক
99) আস সাবুর – অত্যাধিক ধর্য্য ধারণকারী
★আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং শুধুমাত্র তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি। ( সুরা ফাতিহা, আয়াত -০৫)
★তোমরা সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশিয়ে দিও না এবং জানা সত্ত্বে সত্যকে তোমরা গোপন করো না। সুরা বাকারা আয়াত-৪২)
★আর তোমরা আনুগত্য কর আল্লাহ ও রসূলের, যাতে তোমাদের উপর রহমত করা হয়। ( সুরা আল ইমরান, আয়াত-১৩২)
★হে ঈমানদানগণ! ধৈর্যধারণ কর এবং মোকাবেলায় দৃঢ়তা অবলম্বন কর। আর আল্লাহকে ভয় করতে থাক যাতে তোমরা তোমাদের উদ্দেশ্য লাভে সফলকাম হতে পার।( সুরা বাকার, আয়াত- ২০০।)
★হে ঈমানদারগণ! তোমরা একে অপরের সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করো না। কেবলমাত্র তোমাদের পরস্পরের সম্মতিক্রমে যে ব্যবসা করা হয় তা বৈধ। আর তোমরা নিজেদের কাউকে হত্যা করো না। নিঃসন্দেহে আল্লাহ তা’আলা তোমাদের প্রতি দয়ালু।( সুরা নিসা, আয়াত -২৯)
★হে মুমিনগণ! আহলে কিতাবদের মধ্য থেকে যারা তোমাদের ধর্মকে উপহাস ও খেলা মনে করে, তাদেরকে এবং অন্যান্য কাফিরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না। আল্লাহকে ভয় কর, যদি তোমরা ঈমানদার হও। ( সুরা মায়েদাহ,আয়াত-৫৭)
★আমি তোমাদেরকে পৃথিবীতে ঠাই দিয়েছি এবং তোমাদের জীবিকা নির্দিষ্ট করে দিয়েছি। তোমরা অল্পই কৃতজ্ঞতা স্বীকার কর।-সূরাঃ আল-আরাফ [7:10]
★ইশতারাও বিআ-য়া-তিল্লা-হি ছামানান কালীলান ফাসাদ্দূ‘আন ছাবীলিহী ইন্নাহুম ছাআ মা-কা-নূইয়া‘মালূন।- সূরাঃ আত-তাওবাহ [9:9]
★তোমরা যুদ্ধ কর আহলে-কিতাবের ঐ লোকদের সাথে, যারা আল্লাহ ও রোজ হাশরে ঈমান রাখে না, আল্লাহ ও তাঁর রসূল যা হারাম করে দিয়েছেন তা হারাম করে না এবং গ্রহণ করে না সত্য ধর্ম, যতক্ষণ না করজোড়ে তারা জিযিয়া প্রদান করে।- সূরাঃ আত-তাওবাহ [9:29]
★যারা ঈমান আনে আর সৎকাজ করে তাদের জন্য রয়েছে নেয়ামতে ভরা জান্নাত।- সূরাঃ লুকমান [31:8]
★আর আমি মানুষকে তার পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহারের জোর নির্দেশ দিয়েছি। তার মাতা তাকে কষ্টের পর কষ্ট করে গর্ভে ধারণ করেছে। তার দুধ ছাড়ানো দু বছরে হয়। নির্দেশ দিয়েছি যে, আমার প্রতি ও তোমার পিতা-মতার প্রতি কৃতজ্ঞ হও। অবশেষে আমারই নিকট ফিরে আসতে হবে।- সূরাঃ লুকমান [31:14]
★হে বৎস, নামায কায়েম কর, সৎকাজে আদেশ দাও, মন্দকাজে নিষেধ কর এবং বিপদাপদে সবর কর। নিশ্চয় এটা সাহসিকতার কাজ।- সূরাঃ লুকমান [31:17]
★পুরো পৃথিবী ৭০ বার বিক্রি করলেও
জান্নাতের একটি ইটের দামও হবেনা
-সুবহানাল্লাহ
★লা-হাওলা ওলা কুয়্যাতা ইল্লাহ বিল্লাহ।
– এই দোয়া ৯৯ রোগের চিকিৎসা।
★সর্বশ্রেষ্ঠ দো’আ হলো
আলহামদুলিল্লাহ।
আর-
সর্বোত্তম যিকির হলো
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ।
★আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর রহমত।
– বৃষ্টি মানেই রহমত।
– বৃষ্টি মানেই নেয়ামত।
★মৃত্যুর বিছানায় শুয়েও।
– যিনি উম্মতের জন্য কেঁদেছেন তিনি হলেন।
– হযরত মুহাম্মদ [সা:]
★হে মুমিনগন,
জুমআর দিনে যখন সালাতের
আজান দেয়া হয়.তখন তোমরা
আল্লাহর স্বরন পানে ত্বরা কর.
এবং কেনাবেচা বন্ধ কর.
এটা তোমাদের জন্য উত্তম.
যদি তোমরা এটা বুঝ !
★“মুসলমান যখন মসজিদের দিকে রওনা হয়,
সে তার ঘরে ফিরে আসা পর্যন্ত তার
প্রতি কদমে আল্লাহ একটি নেকী
দান করেন এবং একটি
করে গোনাহ মোচন করেন।
__বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)
★ঐ সকল নারী জাহান্নামী,
যারা কাপড় পরেও উলঙ্গ থাকে।”
—বিশ্বনবী হযরত মোহাম্মদ(সঃ) ..!
★সম্পদ তোমাকে পাহারা দিতে হয়,
কিন্তু জ্ঞান তোমাকে পাহারা দিয়ে রাখে।”
_-হযরত আলী
★তুমি যত বেশি সততার সাথে কথা
বলবে তত বেশী সম্মানিত হবে।
-হযরত আলী (রাঃ)
★ওজু করে আকাশের দিকে তাকিয়ে।
-কালেমা শাহদাত পড়লে।
-৪৯ কোটি আমলনামায় যোগ হয়।
★আল্লাহ এমন কোন রোগ পাঠাননি
যার আরোগ্যের ব্যবস্থা দেননি।
-সহীহ্ বুখারী ৫৬৭৮।
★মধুর একটি বাক্য।
– লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ ।
★জান্নাতের মাটির রং হবে
ময়দার মতো সাদা।
– হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ)
★মুহাম্মদ (সা:) বলেছেন।
– ঘুমানোর সময় আলো নিভিয়ে এবং
ডান কাত হয়ে ঘুমাতে।
– [সহীহ বুখারী: ৩২৮০]
★নামাজ কে বল না কাজ আছে।
কাজ কে বল
আমার নামাজ আছে।
★দুনিয়া টা আল্লাহর রহমতে ঘেরা।
– কিন্তু দুনিয়ার মানুষ
গুলো অহংকারে সেরা।
★এতিমকে গলা ধাক্কা দিয়োনা
কারন আমি নিজেই এতিম ছিলাম।
-হযরত মোহাম্মদ (সাঃ)
★সবচেয়ে সুখী ব্যক্তিই সেই যাকে।
-আল্লাহ তা’য়ালা
১জন পূণ্যবতী স্ত্রী দান করেছেন ।
★শীতের অজু। গরমের রোজা।
যৌবনের ইবাদত ।
-আল্লাহর কাছে খুব পছন্দনীয়।
★ঘুমানোর আগে আল্লাহ’র
কাছে মাফ চেয়ে নিবেন।
– হতেও তো পারে আজ আপনার শেষ রাত।
★যখন বান্দা কোনো কিছু চাওয়ার
জন্য দুই হাত তুলে দোয়া করে,
তখন আল্লাহ সেই দোয়া ফিরিয়ে
দিতে লজ্জাবোধ করেন।
(তিরমিজি, ৩৫৫৬)।
★ভালো মৃত্যু লাভের দুয়া:
اَللَّهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُ
كَ حُسْنَ الْخَاتِمَةِ
(আল্লহুম্মা ইন্নি আসআলুকা হুসনাল খ-তিমাহ)
অর্থ:- হে আল্লাহ। আমি আপনার কাছে উত্তম মৃত্যু চাই।
-[১/তিরমিযী ২১৪০]
★ভয় পেও না আমি তোমাদের সাথেই আছি,
আমি সব শুনি এবং দেখি।
– আল-কুরআন।
★নামাজ বাদ দিও না।
– কারন নামাজ তোমাকে সব
বিপদ থেকে রক্ষা করবে ।
– সুবহানাল্লাহ
★যে ঘরে কন্যাসন্তান জন্ম নেই,
সে ঘর বরকতয়।
হযরত মোহাম্মদ (সাঃ)
★আমরা প্রতিদিন ৮৬৪০০
সেকেন্ড সময় শ্বাস নেই ।
এর জন্য আল্লাহর কাছে হাজারো শুকরিয়া।
★ওযু করে আকাশের দিকে তাকিয়ে
কালিমা শাহাদাত পড়লে।
৪৯ কোটি সওয়াব আমলনামায় লিখা হয়।
★পৌঁছে দাও
কালেমার দাওয়াত
-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ (সাঃ)
★-কাউকে বার বার ডাকলে রাগ
করে কিন্তু,
-আল্লাহ কে বার বার ডাকলে
তিনি খুশি হয়!
★পুরো পৃথিবী ৭০ বার বিক্রি করলেও
জান্নাতের একটি ইটের দামও হবেনা
-সুবহানাল্লাহ
আজকে আপনাদের জন্য শেয়ার করবো ইসলামিক এসএমএস। আশাকরি আপনাদের সবার ভালো লাগবে।
★আলিফ, লাম, মিম
-আমার পোস্টটি যে পড়েছে
সেই ৩০ টি নেকি পাবে!
★চুপ থাকাটা একটি ইবাদত
– হযরত মোহাম্মদ (সাঃ)!
★- তিন বেলা আহার যতটা গুরুত্বপূর্ণ ,
-৫ ওয়াক্ত নামাজ তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ !!
★*ইয়া বারিও
-এই পবিত্র নামটি প্রত্যহ ৭ বার
করে পড়লে কবর আযাব মাফ হয়!
★ধৈর্য
মানুষকে উন্নতি করে!
মিথ্যা
মানুষকে ধ্বংস করে!
★মানুষের মনের মধ্যে এমনভাবে
নিজের জন্য জায়গা করে নাও
যেন তুমি মরে গেলে তোমার জন্য
তারা দুয়া করে আর বেঁচে
থাকলে তোমাকে ভালবাসে।
___ হযরত আলী (রাঃ)
★I Love You –
আল্লাহ কে বলো ।
I Miss You –
নামাজ কে বলো।
I Believe You –
কোরআন কে বলো।
I Trust You –
রাসুল কে বলো।
I Like Must –
ইসলাম কে বলো ।
I Hate You –
শয়তান কে বলো ।
I Don\’t Care –
দুনিয়া কে বলো।
★জান্নাত লাভ করার দোয়া।
– আল্লাহুমা ইন্নী আসআলুকা
রিদ্ধা কাওয়াল জান্নাত।
★নিয়মিত নামাজ
মানুষের রিজিক বৃদ্ধি করে।
আলহামদুলিল্লাহ
★জান্নাতের প্রথম দরজা খুলবেন।
-হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ)
★কেয়ামতের পূর্বে মানুষ
মৃত্যু আর গজব
নিয়ে হাসি ঠাট্টা করবে।
– হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ)
★সারা দুনিয়া ৭০বার বিক্রি করলেও।
– জান্নাতের একটি ইটের দাম হবে না.।
★যার চরিত্র নিয়ে মহান
আল্লাহ তালা প্রসংশা করে ছিলেন।
তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ(সা:)
★মোনাজাতে ঝড়ে পড়া
চোখের পানি কখনো বিফলে যায়না,
হযরত মুহাম্মদ (সঃ)
★শবে-কদর হল এক
হাজার মাস অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ।
– [সূরা কদরঃ ০৩]
★শেষ বিচারের দিন আমাদের
জন্য একমাত্র সুপারিশকারি।
-হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)
★কালোজিরা মৃত্যু ব্যতিত
সকল রোগের মহাঔষধ।
– হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)
★কালোজিরা মৃত্যু ব্যতিত
সকল রোগের মহাঔষধ।
– হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)
★সকাল- সকাল উঠা মানুষ
গুলো স্মার্ট হয় কারণ
তারা ফযরের নামায পড়ে।
– দেরি করে তো বেনামাযীরা উঠে।
★সকাল- সকাল উঠা মানুষ
গুলো স্মার্ট হয় কারণ
তারা ফযরের নামায পড়ে।
– দেরি করে তো বেনামাযীরা উঠে।
★রাসূল সাঃ বলেছেন।
– তুমি যাকে ভালোবাস
জান্নাতে তুমি তার সাথেই থাকবে।
★রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন
কিয়ামতে দিন যে জিনিসটি
মুমিনদের পাল্লায় ভারী হবে
সেটি হচ্ছে সুন্দর চরিত্র।
(আবু দাউদঃ-৪১০১)
★কখনো ব্যর্থ হলে সিজদায় পরে যেও।
– সফলতার পথ
আল্লাহ দেখাবেন।
★চোখের পানি
তাহাজ্জুত নামাজের
মুনাজাতে ফেলো।
-দেখবে পুরো জীবনটাই
বদলে যাবে ইনশাল্লাহ।
★যৌবনের ১ম প্রেম হলো কোরআন।
– আর ১ম ভালোবাসা হলো নামাজ।
★জিবনের প্রতিটা মুহূর্তে
তাকেই স্বরন করুন ।
-যিনি আপনাকে সৃষ্টি করেছেন।
★পৃথিবীর সবচেয়ে বড়
বৈজ্ঞানিক ছিলেন?
– হযরত মোহাম্মদ (সঃ)
★নিশ্চয়ই ‘নামাজ’
মানুষকে সকল অশ্লীল
কাজ থেকে বিরত রাখে।
★বিশ্ব নবী যখন কোনো
রাস্তা দিয়ে যেতেন
দুই পাশে সুগন্ধ ছড়িয়ে পড়তো।
– সুবহানাল্লাহ্
★কি হবে এতো মানুষের প্রিয় হয়ে।
– যদি আল্লাহর কাছে
প্রিয় হতে না পারি।
★স্বামী রাগ করলে স্ত্রী তার
নিকট এসে হাতে হাত রেখে বলে।
– তুমি খুশি না হওয়া অব্দি আমি ঘুমাবো না ।
– রাসূল (সাঃ) বলেন সেই স্ত্রী জান্নাতি।
★মৃত্যু কি তোমার প্রতিশ্রুত সময় নয় ?
সুতরাং তোমার কি প্রস্তুতি রয়েছে !
চুলের শুভ্রতা কি তোমাকে ভীতি প্রদশন করেনি ?
সুতরাং তোমার কি অজুহাত রয়েছে !
কবরে কি তোমার শয্যা হবেনা ?
তখন তোমার কি বক্তব্য থাকবে !
আল্লাহর কাছে কি তোমার প্রত্যাবতন হবেনা ?
তখন তোমার সাহায্যকারী কে হবে !
পড়তে পারেন:-
★সর্বদা ছোট ছোট গুনাহ গুলো
থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখ,
কেননা মানুষ কখনও পাহাড়ের সাথে হোচট খায়না।
ছোট পাথরের সাথে খায়।
—হযরত আলী (রাঃ)
★যে আগে সালাম দেয়।
সে অহংকার মুক্ত।
হযরত মোহাম্মদ (সা.)
★ইনশাআল্লাহ্।
– স্বপ্নগুলো ১দিন পূরণ
করে দিবে আল্লাহ্।
★বান্দার চোখের পানি,
নাকের ডগায় পৌঁছানোর আগে।
আল্লাহ তা’আলা দোআ
কবুল করে নেন।
– হযরত মুহাম্মাদ সাঃ।
★আল্লাহ হুমা ইন্নী আস-আলুকাল আফিয়াহ ।
হে আল্লাহ তোমার কাছে আমি নিরাপত্তা ও
সুস্থতা কামনা করছি।
তিরমিজি : ৩৫১৪
★রাব্বানা আতিনা ফিদ্দুনিয়া হাসানা,
ওয়াফিল আখিরাতি হাসানা,
ওয়াকিনা আজাবান্নার।।
অর্থ :হে আমার প্রভু। আমাকে দুনিয়াতে কল্যাণ দান কর,
আখেরাতেও কল্যাণ দান কর এবং আমাকে জাহান্নাম থেকে বাঁচাও।
★সে ব্যাক্তি ভাগ্যবান ।
– যে কালিমা পাঠ করে
শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করবে ।
★ঘুমানোর আগে গান নয়।
-দোয়া পড়ুন :
আল্লাহুমা বিসমিকা আমুতু ওয়া আহইয়া।
★সময় খারাপ যাওয়া টাও
আল্লাহ্র নেয়ামত।
– এতে বোঝা যায় কে
আপন আর কে পর।
★দেরি করে ঘুমাতে
নিষেধ করেছেন।
– হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)
★শুক্রবার মানে গুনাহ
মাফের আরেকটা সুযোগ।
-পবিত্র জুম্মা মোবারক।
★বর্তমানে আমরা যেটাকে ক্রাশ বলি।
– রাসূল (সাঃ) সেটাকে
চোখের জিনা বলেছেন।
★কোরআন বুঝে পড়লেও সওয়াব।
– কোরআন না বুঝে পড়লেও সওয়াব।
– কোরআন পড়া শুনলেও সওয়াব।
– সুবাহানাল্লাহ
★পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সাউন্ড ।
আল্লাহু আকবার।
★নবীজি(সাঃ) মুচকি হাসতেন।
মুচকি হাসি দেওয়া সুন্নত।
– সহীহ বুখারী।
★I wish
– আমিও একদিন হজ্ব করবো।
– নবীজির রওজা দেখবো।
– ইনশাআল্লাহ।
★বাঁচতে চাই ইসলাম নিয়ে।
মরতে চাই ইসলাম নিয়ে।
ইনশাআল্লাহ
★ঐ নারী উত্তম যে তার
যৌবনের সব ভালোবাসা
আমানত রাখে তার স্বামীর জন্যে।
★তাকেই ভালোবাসুন।
যিনি আমাদের জন্য ১৪০০ বছর।
কাঁদছেন হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)
★কাবা ঘরে এক রাকাত নামাজ পড়লে।
– এক লক্ষ রাকাত নামাজ
পড়ার সওয়াব পাওয়া যায়।
★নিজেকে তুচ্ছ ভাবা বন্ধ করুন,
– কারণ, আপনি হচ্ছেন
– আশরাফুল মাখলুকাত
(সৃষ্টির সেরা জীব)।
★মোনাজাতে ঝড়ে পড়া
চোখের পানি কখনো বিফলে যায়না।
-হযরত মুহাম্মদ [সাঃ]
★নিশ্চয়ই নির্ধারিত সময়ে নামাজ।
আদায় করা মুমিনদের উপর ফরজ।।
-সূরা-নিসা-: ১০৩
★আযান শুনলেই মনে হয়।
– মুয়াজ্জিন জান্নাতের দিকে ডাকছে।
★ইয়া আল্লাহ তোমার
আসমান জমিনের সকল গজব।
– থেকে সবাইকে রক্ষা করো।
– আমিন
★~মা গো আমি শিক্ষবো না আর হাট্টিমা টিম টিম~
~কোরআন থেকে শিক্ষবো আমি আলিফ লাম মিম~
~একটি করে অক্ষরেতে দশটি করে নেকী~
~চলো সবাই আজ থেকে কোরআন হাদিস শিখি~
★সর্বোত্তম জিকির হলো ।
– লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ
– সহিহ বুখারী [৩৩৮৩]
★ভালো রাখার মালিক
একমাত্র উপরওয়ালা।
যেমনি আছি-আলহামদুলিল্লাহ।
★নামাজ কে কখনো
কাজের দোহাই দিয়ো না।-
হতে পারে এটাই তোমার শেষ নামাজ।
★শুভ রজনী, শুভ দিন রাখো রোযা ৩০দিন,
১১মাসের পাপ ১ মাসে করো ছাপ,
দিন যায় দিন আসে রোযা পাবেনা প্রতি মাসে…
তাই এই পবিত্র মাসে সবটি রোযা রাখো?
সবাইকে জানাই {পবিত্র রমজান মোবারক}
Islamic status Bangla– প্রিয় বন্ধুরা আজকে আমরা আপনাদের জন্য শেয়ার করবো Islamic status Bangla ও বানী। আশাকরছি আপনাদের অনেক ভালো লাগবে। আর ভালো লাগলে আপনার শেয়ার করুন আপনার কাছের মানুষের সাথে। আমাদের সাথে থাকার জন্য আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ আপনাকে। চলুন শুরু করি।
★ভীষণ ও অন্ধকার কবর
এ সফর দীর্ঘ সফর,
-সঙ্গী সাথী থাকবে না কেউ
‘আল্লাহু’ ছাড়া।
★ভালোবাসি।
অনেক বেশি ভালোবাসি ।
আল্লাহ্ এবং আল্লাহ্র রসূল (সাঃ) কে।
★যে ব্যক্তি আল্লাহ উপর
ভরসা রাখেন।
তার জন্য তিনিই যথেষ্ট।
-(সূরা-আত ত্বালাক-৩)
★আয়াতুল কুরসী পাঠ করে ঘুমালে।
– সকাল পর্যন্ত শয়তান
কাছে আসতে পারে না।
★কারো সাথে খারাপ ব্যবহার করবেন না।
– হয়তো মৃত্যুর আগে ক্ষমা
চাওয়ার জন্য তাকে খুঁজে পাবেন না।
★অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে
যাওয়া ও একটা ইবাদত।
-হযরত মোহাম্মদ [স.]
★কোরআন তিলাওয়াত শুনলে
– ক্যান্সার কমে।
– সুবহানাল্লাহ
★পৃথিবীর বুকে যে ধর্মটা
সবচেয়ে বেশি খাঁটি।
সেটাই হল ইসলাম ধর্ম
সুবাহানাল্লাহ ।
★যে আল্লাহ আপনাকে সময় দিয়েছেন,
– তার জন্যই যদি আপনার
সময় না থাকে তবে আপনি হতভাগা।।
★যদি কোনো মুমিন বান্দা
মহামারীর কারনে মারা যায় সে শহীদ ।
-তিরমিজি ১০৬৩
★যে মৃত্যুকে বেশি সরন করে।
– তার জন্য মৃত্যু কম কষ্টদায়ক হয়।।
– হযরত ওমর (রা.)
★কুল্লু নাফসিন জাইকাতুল মাউত।
– মৃত্যুর স্বাদ ১দিন
সবাইকে গ্রহণ করতেই হবে।
★যে ব্যাক্তি অন্যের জন্য দোয়া করে।
– ফেরেশতারা তার জন্য দোয়া করে।
★রিক্সাওয়ালাকে সালাম দিতে
যদি ভিতরে বাধা আসে।
তবে তুমি অহংকার মুক্ত নও।
★জাহান্নাম আছে খোলা।
– জান্নাতে আছে তালা।
– যদি চাবির সন্ধান চাও।
– আযান শুঁনে মসজিদে যাও।
★যে ঘরে সূরা আল বাক্বারাহ পাঠ করা হয়।
সে ঘরে শয়তান প্রবেশ করতে পারে না।
হযরত মুহাম্মদ (সা:)
★কিয়ামত এর আগে মানুষ
মৃত্যু নিয়ে হাসি-ঠাট্টা করবে।
★জান্নাতে যেতে লাগে না বিমান ।
– যদি থাকে পারফেক্ট ঈমান।
★যে চক্ষু আল্লাহর ভয়ে কাঁদে।
সে চক্ষুকে জাহান্নামের
আগুন স্পর্শ করবে না।
★যে বই পড়লে কখনো ক্লান্ত হয় না।
– সেটাই হলো আল কোরআন ।
★প্রথম উপহার মুসলিম
হয়ে জন্মগ্রহণ করেছি।
দ্বিতীয় উপহার রাসুল(সাঃ)
উম্মত হতে পেরেছি।
★হতাশ হওয়ার কিছুই নেই।
-সৃষ্টিকর্তাই আমাদের রক্ষা করবে।
আলহামদুলিল্লাহ।
★বিপদ কেটে গেলে মানুষ
উৎফুল্ল এবং অহংকারী হয়ে যায় ।
(সূরাহ হূদ, ১০)
★ভালোবাসাটা যদি নামাজের হয় ।
তাহলে ফলাফলটা হবে জান্নাত।
★কিয়ামতের দিন মা সন্তানকে ভুলে যাবে।
কিন্তু আমাদের নবী (স:)
আমাদের ভুলবে না।
আমিন,
★জান্নাতের পানি দুধের চেয়ে সাদা
এবং মধুর চেয়ে মিষ্টি হবে।
তিরমিজি শরীফ -২৫৪২।
★কাবা ঘরের ‘জমিন হচ্ছে,
পৃথিবীর সর্ব প্রথম জমিন,
সুবহানআল্লাহ
★গভীর রাতে তাহাজ্জুদ।
– আল্লাহ্র সাথে সাক্ষাতের
উত্তম মাধ্যম।
★সিজদা তখনই কবুল হয়।
যখন মাথার সাথে মনটাও
আল্লাহর কাছে নত হয়।
★ঘুম থেকে উঠার দোয়া।
-আলহামদু লিল্লাহী-হিল্লাযী আহ্’ইয়ানা
বা’দামা আমাতানা ওয়া ইলাইহিন নুশূর।
উপরে আপনাদের জন্য কিছু জনপ্রিয় Islamic status Bangla শেয়ার করলাম। সামনে অন্য কোনো বিষয়ে উক্তি শেয়ার করবো। সে পর্যন্ত ভালো থাকুন। ধন্যবাদ
★নীতিবান হও ওমরের মতো ।
লজ্জাশীল হও ওসমানের মতো ।
বন্ধু হও আবু বকরের মতো
বীর হও আলীর মতো ।
আর জীবন গড় রাসূল (সাঃ) এর মতো ।
★একবার কি ভেবেছেন…
কেমন হবে সেই রাতটা
যে রাত হবে আমাদের
কবরের
প্রথম রাত ।
★যে চক্ষু আল্লাহর ভয়ে
কাঁদে, সে চক্ষুকে
জাহান্নামের আগুন
স্পর্শ করবেনা ।
তিরমিযী- ১৬৩৯
★একদল জাহান্নামিকে
কিয়ামতের দিন জিজ্ঞাসা
করা হবে, কেন তোমাদের
জাহান্নামে প্রবেশ করানো হল,
তারা বলবে আমরা
নামাজ পড়তাম না ।
(সূরা আল মুদ্দাসসির: ৪২-৪৩)
★রাসূল (সাঃ) বলেছেন,
মুসলিম যে গাছ লাগায়
তা থেকে কোন মানুষ, কোন জন্ত এবং
কোন পাখী যা কিছু খায়, তবে তা তার
জন্য সাদকাহ হয়ে যায় ।
(বুখারী- ২৩২০)
★তোমরা সত্যকে মিথ্যার সাথে
মিশিয়ে দিও না
এবং জানা সত্ত্বে সত্যকে
তোমরা গোপন করো না ।
(সূরা বাকারাহ, আয়াত- ৪২ )
★পত্যেক আদম সন্তানই গুনাহগার ।
আর গুনাহগারদের মধ্যে
তওবাকারীগন উত্তম ।
( ইবনে মাজাহ: ৪২৫১)
★যখন তোমার নেক কাজে
আনন্দ হবে এবং নিজের
অসৎ কাজে দুঃখ হবে ,
তুখন তুমি নিজেকে মুমিন
মনে করো ।
[মুসনাদে আহমদ ৬-৩৪১, তিরমিযী ২-৩৯]
★সেই নারী সবচেয়ে
বেশি সুন্দর
যার মেকআপ হয়
প্রতিদিন
পাঁচ ওয়াক্ত ওযূর পানি ।
★সুবহানাল্লাহ..
আলহামদুলিল্লা্হ..
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু..
আল্লাহু আকবর ..
দুনিয়ার সব থেকে উত্তম যিকির …
★এই পৃথিবীর সব
মানুষই সুন্দর
কেউ বাইরে থেকে সুন্দর আবার
কেউ ভিতর থেকে সুন্দর !
★জান্নাতের অধিকাংশ
অধিবাসী-ই হবে গরীব।
★লোভ
মানুষকে অনেক নিচে
নামিয়ে দেয়,
আর অভাব মানুষকে
অনেক কিছু শিখিয়ে দেয় ।
★গোপনে পাপ করলে
মানুষ তিলে তিলে
ধ্বংস হয়ে যায়
আর গোপনে ইবাদত
করলে মানুষ শ্রেষ্ঠ হয়ে যায় ।
★কিয়ামতের দিন ঐ ব্যাক্তি
আমার নিকট সবচেয়ে
কাছে থাকবে
যে ব্যক্তি আমার উপর বেশি
দুরুদ পাঠ করবে ।
-হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)
★দিনের আলোতে
রিযিক তালাশ করো।
আর রাতের আঁধারে
তাঁকে তালাশ করো,
যিনি তোমাকে রিযিক দেন ।
-হযরত আলী (রাঃ)
★কবর থেকে বেশি
কঠিন কোন ভয়ঙ্কর
জায়গা আমি কখনো
দেখিনি ।
-হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)
★৩৬৫ দিনের মধ্যে উত্তম দিন হলো ,
-আরাফাতের দিন
৩৬৫ রাতের মধ্যে উত্তম রাত হলো ,
-কদরের রাত
১২ মাসের মধ্যে উত্তম মাস হলো,
-রমযান মাস
৭দিনের মধ্যে উত্তম দিন হলো,
-জুম্মার দিন।
★রাসুলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেছেন ,
যে ব্যক্তি কুরআন
পড়তে চায় কিন্তু সে
পড়তে পারছে না,
তবুও বারবার সে
পড়ার চেষ্টা করছে ঐ
ব্যক্তি পাবে দ্বিগুণ সওয়াব !
-(মুসলিম ১৭৪৭)
★যে মহিলা বিসমিল্লাহ বলে
খাবার প্রস্তুত করে,
আল্লাহ তাআলার সেই খাবারে
বরকত দান করেন!
-হযরত মুহাম্মদ(সাঃ)
★রাসূল (সাঃ) এর বাণী
হে আল্লাহ! আমি আশ্রয় চাচ্ছি কৃপণতা
থেকে এবং আশ্রয় চাচ্ছি কাপুরুষতা থেকে ।
আর আশ্রয় চাচ্ছি বার্ধক্যের চরম পর্যায় থেকে ।
দুনিয়ার ফিতনা-ফাসাদ ও কবরের আজাব হতে ।
[বুখারী: ৫৮৮৮]
★আপনার বলা কথাগুলোই প্রকাশ দিবে আপনার অন্তরের গভীরে কী আছে।- আব্দুল কাদির জিলানী
★যখন কোন বান্দা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে, সেটা আসলে কেবল মুখে উচ্চারিত কোন বিষয় থাকে না, বরং আল্লাহর করুণা ও রাহমাত প্রাপ্তির কৃতজ্ঞতা স্বীকার অন্তর থেকেও করা হয়।- আব্দুল কাদির জিলানী
★নিজের কল্যাণের স্বার্থে এবং আযাব থেকে রেহাই পেতে যথাসম্ভব কম কথা বল। তুমি তোমার আমলনামার পাতাগুলো আড্ডাবাজি দিয়ে পূর্ণ করো না। কেননা, চূড়ান্ত হিসাব-নিকাশের দিনে যে বিষয়টি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে তা হল তোমার জীবনে আল্লাহকে স্মরণ করার মুহূর্তগুলো।- আব্দুল কাদির জিলানী
আজকে আমরা প্রতিবেশী নিয়ে উক্তি শেয়ার করবো আপনাদের জন্য। আমরা এখানে প্রতিবেশী নিয়ে কিছু খুব সুন্দর সুন্দর উক্তি দিয়েছি । আমাদেরকে সমাজে ভালো থাকতে হলে আমাদের উচিৎ প্রতিবেশীর সাথে ভালো ব্যাবহার করা ।
হাদিস থেকে প্রতিবেশী নিয়ে কিছু উক্তি নিচে দেয়া হল আপনাদের জন্য।
★যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান রাখে, সে যেন তার প্রতিবেশীকে কষ্ট না দেয়।
— আল হাদিস
★সে ব্যাক্তি মুমিন নয়; যে ভরাপেটে খায় অথচ তার পাশে তার প্রতিবেশী অনাহারে থাকে।
— হযরত মোঃ (সাঃ)
★আল্লাহর কসম ! সে মুমিন নয় । যার প্রতিবেশী তার ক্ষতি থেকে নিরাপদ থাকে না।
— (হাদিস-বুখারি)
★প্রতিবেশীর প্রতি সুন্দর সহানুভূতির আচরণ করো, তবেই মুমিন হবে ।
— মিশকাত
★ওই ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না; যার ক্ষতি থেকে তার প্রতিবেশী নিরাপদ থাকে না।
— (হাদিস-মুসলিম)
★আপনার নিজের বাড়ির জানালা যদি কাঁচের হয়, তাহলে প্রতিবেশীর জানালায় ঢিল নিক্ষেপ করবেন না৷
— বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন।
★আপনি যদি আপনার প্রতিবেশীর ঘরটিকে পুড়িয়ে দেন, তাহলে তা কোনোদিনও আপনার ঘরের সৌন্দর্য্যকে বাড়িয়ে দেবে না।
—- ল হল্টজ্।
★আমরা বন্ধু ছাড়া বেঁচে থাকতে পারি কিন্তু প্রতিবেশী ছাড়া বেঁচে থাকা অসম্ভব।
— থমাস ফুলার।
★ যখন আপনার প্রতিবেশীর প্রাচীর জ্বলতে থাকে তখন তা আপনার আগ্রহের বিষয় হওয়া উচিত।
— হরেস।
★ কোনও কিছুই আপনাকে প্রতিবেশীর শোরগোলের পার্টিতে থাকার চেয়ে বেশি সহনশীল করে তোলে না।
— ফ্রাঙ্কলিন পি. জিন্স।
★আপনার প্রতিবেশীকে ভালোবাসুন, তবে কখনো নিজের বেড়টা টানবেন না।
— বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন।
★পুণ্য কখনো নির্জন নয, এর প্রতিবেশী থাকতে বাধ্য।
— সংগৃহীত।
★নিজের একজন প্রতিবেশীর ক্ষতি করার অর্থ নিজের বিপদের দিনে একজন সাহায্যকারী নষ্ট করা৷
— সংগৃহীত।
★খুব কম সময়ই আমরা আমাদের প্রতিবেশীর সাথে ভারসাম্য বজায় রাখি, প্রতিনিয়ত চাই তাদের ছাড়িয়ে যেতে।
— থমাস এ কেম্পিস।
★একটা খারাপ পাড়ায় একজন ভালো প্রতিবেশী হওয়ার চেষ্টা কখনোই সফল হয় না।
— উইলিয়াম কাস্টেল।
★মরুভূমির মধ্যে বিশাল ধন সম্পত্তি থাকার চেয়ে প্রতিবেশীদের মধ্যে কিছুটা থাকা উত্তম।
— ওয়েলস্ এর প্রবাদ বাক্য।
★একজন ভালো প্রতিবেশী বাইরের ক্ষত ব্যাতীত অন্য ক্ষতগুলিকেও দেখতে পায় এবং ভেতরের ভালো গুণগুলিকে শনাক্ত করে আর এ কারণেই তারা ভাইয়ের সমতুল্য।
— মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র।
★আপনি যদি নিজের জন্য বাঁচেন তবে প্রতিবেশীর জন্য বেঁচে থাকুন।
— সেনেকা।
★কোনো প্রতিবেশী ছাড়া আপনার যে কোন পরিমাণ সম্পদই যথেষ্ট নয়।
— ড্যানিশ প্রবাদ।
★ সমস্ত সামাজিক জীবন, স্থিতিশীলতা, অগ্রগতি তার প্রতিবেশীর প্রতি প্রতিটি মানুষের আত্মবিশ্বাসের উপর নির্ভর করে, তার দায়িত্ব পালনে তার উপর নির্ভরতা।
— এ. লরেন্স লয়েল।
★আপনার প্রতিবেশী হলো সেই মানুষ, যার আপনাকে প্রয়োজন।
— আলবার্ট হুবার্ড।
★ আমরা বন্ধু তৈরি করি, আমরা শত্রুও তৈরি করি। কিন্তু আমাদের পাশের বাড়ির প্রতিবেশীকে স্বয়ং ঈশ্বর তৈরি করেন।
— জি. কে. চেরেস্টেরন।
★আমাদের প্রতিবেশীর প্রতি ভালোবাসার সীমা ঠিক ততটাই হওয়া উচিত, যতটা আমরা নিজেকে ভালোবাসি।
— সেন্ট অগাস্টিন।
★ আমরা একে অপরের জন্য তৈরি, এবং প্রত্যেককে তার প্রতিবেশীর সরবরাহ হতে হবে।
— বেঞ্জামিন হুইসকোট।
★বাইবেলে বলা হয়েছে, তোমার প্রতিবেশীকে ভালোবাসো এবং বাইবেলে এও বলা হয়েছে যে তোমার শত্রুকেও ভালোবাসো। কারণ সাধারণত তারা একই মানুষ।
— জি. কে. চেরেস্টেরন।
★ ভালো প্রতিবেশী সবসময় তোমার পেছনে গুপ্তচরের মতো লেগে থাকে, তোমার ভালো থাকা নিশ্চিত করার জন্য।
— পবন মিশ্র।
★বই এমন লোক হতে পারে যা আমরা কখনও দেখা করতে পারি না, পূর্বপুরুষ বা দূরবর্তী প্রতিবেশী।
— এজাবেথ নক্স।
★আপনার ভালো থাকার অনেকটা নির্ভর করে আপনি আপনার আর প্রতিবেশীর বাড়ির মধ্যকার দেয়ালটা কতটা দৃঢ়ভাবে দেখতে পাচ্ছেন তার উপর৷
— সংগৃহীত।
★ একজন খারাপ প্রতিবেশী হলো আপনার জন্য অভিশাপ, যেমনটা একজন ভালো প্রতিবেশী আপনার জন্য আশীর্বাদ স্বরুপ।
— হেছয়েড।
★আপনি যদি আপনার প্রতিবেশীকে ক্ষতিগ্রস্থ করতে চান, তবে তা অর্ধেকভাবে না করাই ভালো।
— জর্জ বানার্ড শ।
★ প্রত্যেক মানব সন্তানই আমার প্রতিবেশী, কারণ আমরা সবাই একই গ্রহে বসবাস করি।
— অ্যনা মোনার।
★আপনার দুর্দশাগুলির সাথে যুদ্ধ করুন, প্রতিবেশীদের সাথে শান্তিতে থাকুন এবং প্রতি নতুন বছরে আপনাকে আরও ভাল মানুষ হিসেবে খুঁজে দিন।
— বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন।
★একজন ভাল প্রতিবেশী এমন একজন সহকর্মী যিনি আপনাকে পিছনের বেড়ার উপর দিয়ে মুচকি হেসে ফেলেছেন, কিন্তু এটির উপরে উঠেন না।
— আর্থার বের।
★আমাদের মধ্যে খুব কম মানুষ আছেন যারা প্রতিবেশীর জন্য চিন্তা করেন, তাদের ভালোর জন্য ঝাঁপিয়ে পড়তেও পিছপা হন না।
— সংগৃহীত।