কর্তব্য নিয়ে উক্তি – কর্তব্য নিয়ে আমরা কথা রকমের কথা শুনি । তবে বিশ্ব বিখ্যাত মনীষীরাও কর্তব্য নিয়ে উক্তি কিছু মজার বাণী বা উক্তি করে গেছেন । সেই বাণী বা উক্তি গুলো নিচে সাজিয়ে দেয়া হলো
উপরে আপনাদের জন্য কিছু জনপ্রিয় কর্তব্য নিয়ে উক্তি শেয়ার করলাম। সামনে অন্য কোনো বিষয়ে উক্তি শেয়ার করবো। সে পর্যন্ত ভালো থাকুন। ধন্যবাদ
সার্টিফিকেট নিয়ে উক্তি – প্রিয় বন্ধুরা আজকে আমরা আপনাদের জন্য শেয়ার করবো সার্টিফিকেট নিয়ে উক্তি ও বানী। আশাকরছি আপনাদের অনেক ভালো লাগবে। আর ভালো লাগলে আপনার শেয়ার করুন আপনার কাছের মানুষের সাথে। আমাদের সাথে থাকার জন্য আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ আপনাকে। চলুন শুরু করি।
এটিও পড়তে পারেন:-
উপরে আপনাদের জন্য কিছু জনপ্রিয় সার্টিফিকেট নিয়ে উক্তি শেয়ার করলাম। সামনে অন্য কোনো বিষয়ে উক্তি শেয়ার করবো। সে পর্যন্ত ভালো থাকুন। ধন্যবাদ
জুতা নিয়ে উক্তি – প্রিয় বন্ধুরা আজকে আমরা আপনাদের জন্য শেয়ার করবো জুতা নিয়ে উক্তি ও বানী। আশাকরছি আপনাদের অনেক ভালো লাগবে। আর ভালো লাগলে আপনার শেয়ার করুন আপনার কাছের মানুষের সাথে। আমাদের সাথে থাকার জন্য আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ আপনাকে। চলুন শুরু করি।
পড়তে পারেন:-
উপরে আপনাদের জন্য কিছু জনপ্রিয় জুতা নিয়ে উক্তি শেয়ার করলাম। সামনে অন্য কোনো বিষয়ে উক্তি শেয়ার করবো। সে পর্যন্ত ভালো থাকুন। ধন্যবাদ
প্রাণী নিয়ে উক্তি – প্রিয় বন্ধুরা আজকে আমরা আপনাদের জন্য শেয়ার করবো প্রাণী নিয়ে উক্তি ও বানী। আশাকরছি আপনাদের অনেক ভালো লাগবে। আর ভালো লাগলে আপনার শেয়ার করুন আপনার কাছের মানুষের সাথে। আমাদের সাথে থাকার জন্য আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ আপনাকে। চলুন শুরু করি।
উপরে আপনাদের জন্য কিছু জনপ্রিয় প্রাণী নিয়ে উক্তি শেয়ার করলাম। সামনে অন্য কোনো বিষয়ে উক্তি শেয়ার করবো। সে পর্যন্ত ভালো থাকুন। ধন্যবাদ
আসসালামু ওয়ালাইকুম, আশাকরি সবাই ভালো আছেন। আজকে আমরা উৎসাহ নিয়ে উক্তি শেয়ার করবো আপনাদের জন্য। সাথে থাকুন ধন্যবাদ।
অনিন্দ্য সুন্দর প্রাকৃতিক ঝর্ণা দেখতে সবারই মন চায়। তাইতো প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ পর্যটক দুর্গম পাহাড়ি পথ ডিঙ্গিয়ে ছুটে যান ঝর্নার পানে। ঝর্ণা দেখ সবারই মনে প্রশ্ন জাগে কিভাবে পানি পড়তেছে? এই পানি এলো কই থেকে? কৌতূহলী মন কত কিছুই জানতে চায়।
আমরা জানি বৃষ্টি হলে পানি মাটির নিচে চলে যায়। পাহাড়গুলোর নিচু স্তর শিলা দ্বারা গঠিত। বৃষ্টির পানি পাহাড়ের উপরিভাগের মাটি বেয়ে নিচে নামতে নামতে শিলা স্তরে গিয়ে আর নিচে নামতে পারে না। কারণ পানি শিলা ভেদ করতে পারে না। তখন পানি শিলা স্তরের ঢাল বেয়ে নিচের দিকে এক সাইডে যাইতে থাকে। এইভাবে নিচের দিকে আসতে আসতে যখন পাহাড়ের একদিকে এসে মাটি পেয়ে যায় তখন পানির প্রবলে স্রোতে মাটি সরে যায়। পাহাড়ে একটা গর্ত তৈরি হয়ে সৃষ্টি হয় ঝর্ণার। এই গর্ত বেয়ে শিলা স্তরের উপরে জমা হওয়া পানি বের হতে থাকে। পানি পরতে পরতে এক সময় সব মাটি সরে গিয়ে শুধু পাথরই টিকে থাকে। তাই দেখবেন সব ঝর্ণার গোঁড়ায় শুধু পাথর। ঝর্ণা যদি পাহাড়ের উপরিভাগে হয় তাইলে বেশি পানি জমে না। তাই বৃষ্টি হওয়ার কয়েক দিনের মাঝেই পানি শেষ হয়ে যায়। বাংলাদেশের বেশিরভাগ ঝর্ণারই পানি ধারণ ক্ষমতা কম। তাই বর্ষাকালে ঝর্ণা দেখাই উত্তম।
ঝর্ণা আর জলপ্রপাত দেখতে এক রকম মনে হলেও দুইটা ভিন্ন জিনিষ। ঝর্ণা হল পাহাড়ের উপরে বৃষ্টির জমা হওয়া পানি মাটি ফুড়ে বেরিয়ে আসে। আর জলপ্রপাত হলো পাহাড়ের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া কোন নদী। যা পাহাড়ের শেষ মাথায় এসে ঝর্ণার ন্যায় নিচে পরে। জলপ্রপাতের মুখ অনেক চওড়া হয়। মাধবকুণ্ড এমন জলপ্রপাত ।
Source- Here
ভুল নিয়ে উক্তি ( Bangla quotes about mistake ) : ভুল করে না এমন কোন মানুষ হতে পারে না । তবে সব সময় ভুল করা ভুল নয় এটা হলো অবহেলা বা সচেতনতার অভাব । আমাদের উচিৎ একই ভুল বারে বারে না করা । কারণ ইসলামে আছে ” মুমিন ব্যাক্তি একই ভুল দুইবার করে না” । আমাদের উচিৎ সব বিষয় নিয়ে একটু চিন্তা করা ।আসুন ভুল সম্পর্কিত কিছু বিখ্যাত উক্তি ।
উপরে আপনাদের জন্য কিছু জনপ্রিয় ভুল নিয়ে উক্তি- বাণী শেয়ার করলাম। সামনে অন্য কোনো বিষয়ে উক্তি শেয়ার করবো। সে পর্যন্ত ভালো থাকুন। ধন্যবাদ
বেইমানি নিয়ে উক্তি গুলো পড়ে দেখুন, অনেক ভালো লাগবে । বন্ধু বেঈমানি করা এখন আমাদের সমাজে খুব কমন একটা ব্যাপার হয়ে গেছে । এটাকে এখন তেমন কেউই কোন অপরাধ মনে করে না । কথা দিতে কথা না রাখাকেই আমরা মূলত বেঈমানি করা বুঝাই । যাহোক এটা নিয়ে আমাদের আজকের লেখা । চলুন লেখা গুলো পরে আসি ।
শাড়ি নিয়ে কবিতা গুলো লিখেছেন আমাদের খুব আপন একজন বোন, উনার নাম হলো সাকিসেফ উম্মে ফাতেমা । কবিতা গুলো পড়ে আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে, তাই আপনাদের সাথেও শেয়ার করলাম । আশাকরি আপনাদেরও ভালো লাগবে । তো চলুন দেখে নেই কবিতা গুলো ।
শাড়ি কেনা হয়রানি; সমস্যাতো বেশ;
হরেক রকম শাড়ির মেলা এ যে বঙ্গ দেশ!
কোনটা রেখে কোনটা নিবো উপায় নাহি পায়,
জামদানিটা লাগে ভালো, ধূপিয়ানিটাও যায়;
টাঙ্গাইলটা নেওয়ার ছিল, তাঁতটা জমে বেশ-
জুম শাড়িটাও চাই যে আমার নইলে আমি শেষ!
কাতানটাতে লাগবে ভালো, সিল্কও নেওয়া যায়
হাতের কাজ করতে হলে জর্জেটটাও চাই।
হাফসিল্কে লাগবে ভালো, এটাও নিতে হবে
বাকিসব না হলেও সুতি কিন্তু রবে।
অন্যরকম লাগতে আমার পেইন্টেডটাও চাই
আরও তো বাকি অনেক শাড়ি, টাকা কোথায় পাই!
শাড়ির বাহার দেখে আমার চক্ষু মুদে আসে
লাগবো ক্যামোন, পড়লে শাড়ি; কল্পনাতে ভাসে।
শাড়ির প্রেমে মাতোয়ারা, অনেক শাড়ি চাই
শাড়ি ছাড়া আমার চাওয়ার আর তো কিছু নাই।
উৎসবেতে বায়না শাড়ির; নতুন নতুন চাই
মুখ ফুলোবে ঘরকন্না শাড়ি যদি না পাই!
শাড়ির সাথে আছে নারীর মনের যোগাযোগ
শাড়ি দেখে মিটে তাদের অনেক অনুযোগ।
আনন্দতে লাল জমিনে হরেক রঙ্গের মিশেল,
শাড়ি পড়ে বঙ্গ নারী সামলে নেবে হেঁশেল।
শোকের দিনে কালো- সাদা মানিয়ে যাবে বেশ
খোপায় ফুল থাকলে ভালো, কিংবা এলোকেশ।
ফালগুনেতে রঙটা শাড়ির হলুদ যেন হয়
শৈলীতে যে বঙ্গ নারী, প্রচুর কথা কয়।
অ্যান্টিক কিংবা গয়না কাঠের- যখন যেমন লাগে
বাঙালী মেয়ে ধৈর্য্য ধরে, সময় নিয়ে সাজে।
ঋতুর সাথে শাড়ির রঙ্গের তারতম্য যে বেশ
ঠিকমতো না বাছাই হলে মিলবে হাসির রেশ।
সবদিনেতে চাই যে তাদের শাড়ি মানানসই
শাড়ি পেয়েই মুখে হাসি, আনন্দ, হৈ হৈ।
প্রিয়তমা, নীল শাড়িতে তোমার পদার্পন আমাকে মোহিত করে
হৃদয় বিদ্ধ করা রূপে চোরা হাসি ফোটে ওষ্ঠ জুড়ে
তোমার শাড়ির আচলে আমার ঘর্মাক্ত মুখ-
তোমার সান্নিধ্যে হৃদকম্প বাড়ে; ধুকপুক ধুকপুক
শাড়ি সামলিয়ে তোমার ধীর পায়ে চলা,
চুপিচুপি আমায় ভালোবাসি বলা।
খোলা চুলে বকুল ফুলের মালা,
দুহাত জুড়ে কয়েকগাছি ফুলেল বালা।
পুকুরপাড়ে আচল মেলে বসা।
নুপুর হাতে আমার ছুটে আসা,
চোখের মায়ায় দিতে পারি ডুব,
শাড়িতে তোমায় মায়াবী লাগে খুব।
কুঁচি তোমার বেহায়াপনা করে,
ঠিক করি আমি একটু পরে পরে।
হাটতে গিয়ে তোমার পড়তে যাওয়া,
দৌড়ে এসে তোমাকে আমার ধরা।
শাড়িতে তুমি দেবী দেবী লাগো,
শাড়ির সাথে ফুলেল সাজে সাজো।
চলতে রাজি তোমার সাথে পথ,
তৈরী থেকো আনবো আমি রথ।