উক্তি Archives - Bangla Quotes: Bengali Quotes I Bani-বাণী চিরন্তণী [banglaquote.com]

Archive

Category Archives for "উক্তি"

খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাঃ) এর উক্তি

★আমি শহীদের আকাঙ্ক্ষা নিয়ে শত শত যুদ্ধ করেছি, কেন আমি যুদ্ধে শহীদ হলাম না?-খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাঃ)

★আমি চাই আল্লাহর রাস্তায় নিহত হতে, আল্লাহ আমার মনের কথা জানেন।- খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাঃ)

★মানুষের চাওয়া এক রকম, আল্লাহর চাওয়া অন্য রকম।- খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাঃ)

★আল্লাহ যখন কোন বিষয় নির্ধারণ করেন, তখন এটি হয়ে যায়।- খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাঃ)

★কাপুরুষের চোখ কখনও ঘুমাতে পারে না।- খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাঃ)

★পৃথিবী মূর্খ দের ধ্বংস করে, কিন্তু বুদ্ধিমানরা পৃথিবীকে ধ্বংস করছে।- খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাঃ)

★যদি আবু বকর মারা যায় এবং উমার খলিফা হয়, তবে আমরা তার কথা মেনে চলব এবং তারই আনুগত্য করব।- খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাঃ)

★আপনি যদি সত্য হন তবে আপনি টিকে থাকতে পারবেন। আপনি যদি মিথ্যা বলেন তাহলে ধ্বংস হয়ে যাবে।- খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাঃ)

★যখন আমি যুদ্ধক্ষেত্রে থাকি, তখন এটি আমার কাছে বিবাহের রাতে কোন সুন্দরী নারীর সাথে রাত্রীযাপন চেয়ে বেশি পছন্দনীয়।- খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাঃ)

download full app from the link given below : https://play.google.com/store/apps/details?id=com.arefin.bani

ঘৃণা সম্পর্কিত উক্তি

★“ঘৃণা মনকে অন্ধকার করে দেয়। কৌশলের পথ রুদ্ধ করে দেয়। নেতাদের ঘৃণা করা সাজে না”- নেলসন ম্যান্ডেলা

 

★“যদি কেউ ঘৃণা করতে শেখে তাহলে সে ভালবাসা শিখে নিতে পারে। ঘৃণা নয়, মানব হৃদয়ে স্বাভাবিকভাবে ভালবাসার জন্ম হয়”- নেলসন ম্যান্ডেলা

 

★“ঘৃণা নিয়ে কেউ জন্ম গ্রহণ করে না…”।- নেলসন ম্যান্ডেলা

 

★“আমি বর্ণবাদকে ঘৃণা করি কারণ এটা একটা বর্বর বিষয়, তা সে কালো বা সাদা যে কোন মানুষের কাছ থেকে আসুক না কেন”।- নেলসন ম্যান্ডেলা

 

★“ ভালোবাসা ও ঘৃনা দুটাই মানুষের চোখে লিখা থাকে!! ”- হুমায়ূন আহমেদ

 

★“ মানুষকে ঘৃণা করার অপরাধে কাউকে কখনও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়নি, অথচ মানুষকে ভালোবাসার অপরাধে অতীতে অনেককেই হত্যা করা হয়েছে, ভবিষ্যতেও হয়ত হবে ”- হুমায়ূন আহমেদ

 

★অপছন্দের চেয়ে ঘৃণার স্থায়িত্ব বেশি।- হিটলার

 

★ঘৃণা তৈরি করলেই প্রচারণা বেশি সফল হয়। – বারট্রান্ড রাসেল

 

কুরআনের ১০০ টি উপদেশ বাণী 

১। তোমরা সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশিয়ে দিও না। (সূরা বাকারা ২:৪২)

 

২। সৎকার্য নিজে সম্পাদন করার পর অন্যদের করতে বলো। (সূরা বাকারা ২:৪৪)

 

৩। পৃথিবীতে বিবাদ-বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করো না। (সূরা বাকারা ২:৬০)

 

৪। কারো মসজিদ যাওয়ার পথে বাধা সৃষ্টি করো না। (সূরা বাকারা ২:১১৪)

 

৫। কারো অন্ধানুসরণ করো না। (সূরা বাকারা ২:১৭০)

 

৬। প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করো না। [সূরা বাকারা ২:১৭৭]

 

৭। দ্বিনের ব্যাপারে কোনো জবরদস্তি নেই। (সূরা বাকারা ২:২৫৬)

 

৮। যারা তোমাদের সঙ্গে লড়াই করবে, শুধু তাদের সঙ্গে তোমরা লড়াই করো। (সূরা বাকারা ২:১৯০)

 

৯। লড়াইয়ের বিধি মেনে চলো। [সূরা বাকারা ২:১৯১]

 

১০। অনাথদের রক্ষণাবেক্ষণ করো। [সূরা বাকারা ২:২২০]

 

১১। রজঃস্রাব কালে যৌনসঙ্গম করো না। [সূরা বাকারা ২:২২২]

 

১২। শিশুকে পূর্ণ দুই বছর দুগ্ধপান করাও। [সূরা বাকারা ২:২৩৩]

 

১৩। সৎগুণ দেখে শাসক নির্বাচন করো। (সূরা বাকারা ২:২৪৭)

 

১৪। ঘুসে লিপ্ত হয়ো না। (সূরা বাকারা ২:১৮৮)

 

১৫। প্রতিদান কামনা করে দাতব্য বিনষ্ট করো না। [সূরা বাকারা ২:২৬৪]

 

১৬। প্রয়োজনে তাদের সহযোগিতা করো। [সূরা বাকারা ২:২৭৩]

 

১৭। সুদ ভক্ষণ করো না। [সূরা বাকারা ২:২৭৫]

 

১৮। যদি ঋণীঅভাবগ্রস্তহয়তবে তাকে সচ্ছলতা আসা পর্যন্ত সময় দাও। [সূরা বাকারা ২:২৮০]

 

১৯। ঋণের বিষয় লিখে রাখো। [সূরা বাকারা ২:২৮২]

 

২০। আমানত রক্ষা করো। [সূরা বাকারা ২:২৮৩]

 

২১। গোপন তত্ত্ব অনুসন্ধান করো না এবং পরনিন্দা করো না। (সূরা বাকারা ২:২৮৩)

 

২২। সমস্ত নবির প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করো। [সূরা বাকারা ২:২৮৫]

 

২৩। সাধ্যের বাইরে কারো উপর বোঝা চাপিয়ে দিও না। [সূরা বাকারা ২:২৮৬]

 

২৪। তোমরা পরস্পর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ো না। [সূরা আল-ইমরান ৩:১০৩]

 

২৫। ক্রোধ সংবরণ করো। [সূরা আল-ইমরান ৩:১৩৪]

 

২৬। রূঢ় ভাষা ব্যবহার করো না। [সূরা আল-ইমরান ৩:১৫৯]

 

২৭। এই বিশ্বের বিস্ময় ও সৃষ্টি নিয়ে গভীর চিন্তাভাবনা করো। (সূরা আল-ইমরান ৩:১৯১)

 

২৮। পুরুষ ও নারী উভয়ই তাদের কৃতকর্মের সমান প্রতিদান পাবে। (সূরা আল-ইমরান ৩:১৯৫)

 

২৯। মৃতের সম্পদ তার পরিবারের সদস্যসের মাঝে বন্টন করতে হবে। [সূরা নিসা ৪:৭]

 

৩০। উত্তরাধিকারের অধিকার নারীদেরও আছে। [সূরা নিসা ৪:৭]

 

৩১। অনাথদের সম্পদ আত্মসাৎ করো না। [সূরা নিসা ৪১০]

 

৩২। যাদের সাথে রক্তের সম্পর্ক তাদের বিবাহ করো না। [সূরা নিসা ৪:২৩]

 

৩৩। অন্যায়ভাবে কারো সম্পদ ভক্ষণ করো না। [সূরা নিসা ৪:২৯]

 

৩৪। পরিবারের উপর কর্তৃত্ব চালাবে পুরুষ। [সূরা নিসা ৪:৩৪]

 

৩৫। অন্যদের জন্য সদাচারী হও। [সূরা নিসা ৪:৩৬]

 

৩৬। কার্পণ্য করো না। [সূরা নিসা ৪:৩৭]

 

৩৭। বিদ্বেষী হয়ো না। [সূরা নিসা ৪:৫৪]

 

৩৮। মানুষের সাথে ন্যায়বিচার করো। [সূরা নিসা ৪:৫৮]

 

৩৯। একে অপরকে হত্যা করো না। [সূরা নিসা ৪:৯২]

 

৪০। বিশ্বাসঘাতকদের পক্ষ নিয়ে বিতর্ক করো না। [সূরা নিসা ৪:১০৫]

 

৪১। ন্যায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত থেকো। [সূরা নিসা ৪:১৩৫]

 

৪২। সৎকার্যে পরস্পরকে সহযোগিতা করো। [সূরা মায়িদা ৫:২]

 

৪৩। সীমালঙ্ঘনের ব্যাপারে একে অন্যের সহায়তা করো না। [সূরা মায়িদা ৫:২]

 

৪৪। মৃত পশু, রক্ত ও শূয়োরের মাংসা নিষিদ্ধ। [সূরা মায়িদা ৫:৩]

 

৪৫। সৎপরায়ণ হও। [সূরা মায়িদা ৫:৮]

 

৪৬। অপরাধীকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাও। [সূরা মায়িদা ৫:৩৮]

 

৪৭। পাপ ও অবৈধ জিনিসের বিরুদ্ধে শ্রম ব্যয় করো। [সূরা মায়িদা ৫:৬৩]

 

৪৮। মাদক দ্রব্য ও আলকোহল বর্জন করো। [সূরা মায়িদা ৫:৯০]

 

৪৯। জুয়া খেলো না। [সূরা মায়িদা ৫:৯০]

 

৫০। ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের উপাস্যদের গালমন্দ করো না। [সূরা মায়িদা ৫:১০৮]

 

৫১। আধিক্য সত্যের মানদণ্ড নয়। [সূরা আন’আম ৬:১১৬]

 

৫২। মানুষকে প্রতারণা দেওয়ার জন্য ওজনে কম দিও না। [সূরা আন’আম ৬:১৫২]

 

৫৩। অহংকার করো না। [সূরা আ’রাফ ৭:১৩]

 

৫৪। পানাহার করো, কিন্তু অপচয় করো না। [সূরা আ’রাফ ৭:৩১]

 

৫৫। সালাতে উত্তম পোশাক পরিধান করো। [সূরা আ’রাফ ৭:৩১]

 

৫৬। অন্যদের ত্রুটিবিচ্যুতি ক্ষমা করো। [সূরা আ’রাফ ৭:১৯৯]

 

৫৭। যুদ্ধে পশ্চাদ্‌মুখী হয়ো না। [সূরা আনফাল ৮:১৫]

 

৫৮। লোভ-লালসা থেকে সুরক্ষিত থেকো। [সূরা তাগাবুন ৬৪:১৬]

 

৫৯। পবিত্র থেকো। [সূরা তওবা ৯:১০৮]

 

৬০। আল্লাহ্‌ তাআলার অনুগ্রহ হতে নিরাশ হয়ো না। [সূরা ইউসুফ ১২:৮৭]

 

৬১। যারা অজ্ঞতাবশত ভুলত্রুটি করে আল্লাহ্‌ তাআলা তাদেরকে ক্ষমা করবেন। [সূরা নাহ্‌ল ১৬:১১৯]

 

৬২। প্রজ্ঞা ও উত্তম নির্দেশনা দ্বারা আল্লাহ্‌ তাআলার প্রতি আহ্বাব করা উচিত। [সূরা নাহ্‌ল ১৬:১১৯]

 

৬৩। কেউ কারো পাপের বোঝা বহন করবে না। [সূরা ইসরা ১৭:১৫]

 

৬৪। পিতামাতার সাথে সদ্ব্যবহার করো। [সূরা ইসরা ১৭:২৩]

 

৬৫। পিতামাতাকে অশ্রদ্ধা করে কোনো কথা বলো না। [সূরা ইসরা ১৭:২৩]

 

৬৬। অর্থ অপচয় করো না। [সূরা ইসরা ১৭:২৯]

 

৬৭। দারিদ্রের আশঙ্কায় সন্তানসন্ততিকে হত্যা করো না। [সূরা ইসরা ১৭:৩১]

 

৬৮। অবৈধ যৌনাচারে লিপ্ত হয়ো না। [সূরা ইসরা ১৭:৩২]

 

৬৯। যে বিষয়ে জ্ঞান নেই তার অনুবর্তী হয়ো না। [সূরা ইসরা ১৭:৩৬]

 

৭০। শান্তভাবে কথা বলো। [সূরা ত্বা-হা ২০:৪৪]

 

৭১। অনর্থ জিনিস থেকে দূরে থেকো। [সূরা মু’মিনুন ২৩:৩]

 

৭২। অনুমতি ছাড়া কারো গৃহে প্রবেশ করো না। [সূরা নূর ২৪:২৭]

 

৭৩। যারা শুধু আল্লাহ্‌ তাআলার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করেন তিনি তাদেরকে নিরাপত্তা দেন। [সূরা নূর ২৪:৫৫]

 

৭৪। বিনা অনুমতিতে পিতামাতার ব্যক্তিগত ঘরে প্রবেশ করো না। [সূরা নূর ২৪:৫৮]

 

৭৫। বিনয় সহকারে ভূপৃষ্ঠে বিচরণ করো। [সূরা ফুরকান ২৫:৬৩]

 

 মাকে নিয়ে ইসলামিক উক্তি

 

৭৬। এই পৃথিবীতে তুমি তোমার অংশকে উপেক্ষা করো না। [সূরা কাসাস ২৮:৭৭]

 

৭৭। আল্লাহ্‌র সাথে অন্য কোনো বাতিল উপাস্যকে ডেকো না। [সূরা কাসাস ২৮:৮৮]

 

৭৮। সমকামিতায় লিপ্ত হয়ো না। [সূরা আন্‌কাবুত ২৯:২৯]

 

৭৯। সৎকার্যের আদেশ করো এবং অসৎকার্য হতে নিষেধ করো। [সূরা লোকমান ৩১:১৭]

 

৮০। দম্ভভরে ভুপৃষ্ঠে বিচরণ করো না। [সূরা লোকমান ৩১:১৮]

 

৮১। কণ্ঠস্বর অবনমিত রেখো। [সূরা লোকমান ৩১:১৯]

 

৮২। নারীরা যেন তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে। [সূরা আহ্‌যাব ৩৩:৩৩]

 

৮৩। আল্লাহ্‌ তাআলা যাবতীয় পাপ মোচন করে দিতে পারেন। [সূরা যুমার ৩৯:৫৩]

 

৮৪। অভাবগ্রস্তকে খাদ্যদানের প্রতি উৎসাহ প্রদান করো। [সূরা মা’ঊন ১০৭:৩]

 

৮৫। ভালো দ্বারা মন্দ প্রতিহত করো। [সূরা হা-মিম সাজদা ৪১:৩৪]

 

৮৬। যেকোনো বিষয়ে পরামর্শের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নাও। [সূরা শূরা ৪২:৩৮]

 

৮৭। মানুষের সাথে মানিয়ে চলার চেষ্টা করো। [সূরা হুজরাত ৪৯:৯]

 

৮৮। কাউকে পরিহাস করো না। [সূরা হুজরাত ৪৯:১১]

 

৮৯। সন্দেহ থেকে বিরত থেকো। [সূরা হুজরাত ৪৯:১২]

 

৯০। পরনিন্দা করো না। [সূরা হুজরাত ৪৯:১২]

 

৯১। সবচেয়ে আল্লাহ্‌ভীরু ব্যক্তি সবচেয়ে সম্মাননীয়। [সূরা হুজরাত ৪৯:১৩]

 

৯২। অতিথির সম্মান করো। [সূরা যারিয়াত ৫১:২৬]

 

৯৩। দাতব্যকার্যে অর্থ ব্যয় করো। [সূরা হাদিদ ৫৭:৭]

 

৯৪। দ্বিনের মধ্যে বৈরাগ্যের কোনো স্থান নেই। [সূরা হাদিদ ৫৭:২৭]

 

৯৫। জ্ঞানীজনকে আল্লাহ্‌ তাআলা সুউচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করবেন। [সূরা মুজাদালাহ্‌ ৫৮:১১]

 

৯৬। অমুসলিমদের সাথে সদয় ও ন্যায় আচরণ করো। [সূরা মুমতাহিনাহ্‌ ৬০:৮]

 

৯৭। যারা নিরাপত্তা কামনা করছে তাদের সহযোগিতা করো ও নিরাপত্তা দাও। [সূরা তওবা ৯:৬]

 

৯৮। আল্লাহ্‌ তাআলার নিকট ক্ষমাপ্রার্থনা করো। তিনি মহাক্ষমাশীল ও অসীম দয়ালু। [সূরা মুযযাম্মিল ৭৩:২০]

 

৯৯। ভিক্ষুককে ধমক দিও না। [সূরা যুহা ৯৩:১০]

 

১০০। আল্লাহ্‌ তাআলার অনুগ্রহ হতে নিরাশ হয়ো না। [সূরা যুমার ৩৯:৫৩]

 

bangla islamic blog

চরম বাস্তব কিছু তেতো কথা।

★অন্যের জন্য অনেক নীতি বাক্য বলা যায় কিন্তু সেগুলো নিজের মধ্যে ফলানোই দুষ্কর।

 

★আদর্শ বিহীন শিক্ষক ফল বিহীন বৃক্ষের মত যার গোড়ায় মাটি নেই।

 

★লোহা বলে সোনা তুই এত অমূল্য দামী,মোর দাম কম কি তোর সুরক্ষার পাহারাদার আমি।

 

★সিংহের বাচ্ছা বিড়ালের আশ্রয়ে থাকলেও সে থাবা দিয়ে শিকার ধরতে ভুলে না।

 

★আঁধার না থাকলে যেমন আলো মূল্যহীন,ভুল না থাকলে তেমন শুদ্ধ মান হীন।

 

★কালের আবর্তে মানুষ হারায় মনুষ্যত্ব হারায় না।

 

★সে সহে সে রহে, অসহনীয় লোক হারাতে বসে।

 

★কবিরা কবিত্ব খুজে ভাবনার দুয়ারে বিরক্তি তার প্রাচীর।

 

আরো দেখুন –

 

★পোষাক পরিচ্ছদ ব্যক্তির সমাদৃতার মাপকাঠি নয় তবু এটা না হলেই নয়।

 

★কম খাওয়া,কম কথা,কম ঘুম সংযমের পাথেয়।

 

লিখেছেন – মাওলানা আবদুল হাই

ভাগ্য নিয়ে উক্তি

ভাগ্য নিয়ে মনীষীদের জনপ্রিয় কিছু মুল্যবান উক্তি নিচে দেয়া হল।

ভাগ্য নিয়ে মনীষীদের বানী

“ যারা কাপুরুষ তারাই ভাগ্যের দিকে চেয়ে থাকে, পুরুষ চায় নিজের শক্তির দিকে। তোমার বাহু, তোমার মাথা তোমাকে টেনে তুলবে, তোমার কপাল নয়॥”- ডঃ লুৎফর রহমান।   “ কপালে সুখ লেখা না থাকলে সে কপাল পাথরে ঠুকেও লাভ নেই। এতে কপাল যথেষ্টই ফোলে, কিন্তু ভাগ্য একটুও ফোলে না ” – কাজী নজরুল ইসলাম।    “ কাল আমার পরীক্ষা। কিন্তু এটা আমার কাছে বিশেষ কোন ব্যাপারই না, কারন শুধুমাত্র পরীক্ষার খাতার কয়েকটা পাতাই আমার ভবিষ্যৎ নির্ধারন করতে পারেনা॥ ” – টমাস আলভা এডিসন   ভাগ্য সবার দুয়ারে আসার জন্যই অপেক্ষা করে, কিন্তু উপযাচক হয়ে আসে না,ডেকে আনতে হয়। – ইলা অলড্রিচ    “ সেই যথার্থ মানুষ যে জীবনের পরিবর্তন দেখেছে এবং পরিবর্তনের সাথে নিজেও পরিবর্তিত হয়েছে॥ ” – বায়রন   “ ভাগ্য বলে কিছুই নেই, প্রত্যেকের চেষ্টা ও যত্নের উপর তা গড়ে উঠে॥ ” – স্কট    “ যারা বলে অসম্ভব, অসম্ভব তাদের দুয়ারেই বেশি হানা দেয়॥ ” – জন সার্কল    পাখি হয়ে যাই, অথচ খুলতে পারি না দেহের খাঁচা, ডানা ঝাপটাই অভ্যন্তরে স্বপ্নের ডানা নাড়ি। – রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ   বিনা পরিশ্রমে যা অর্জন করা যায়তা দীর্ঘস্থায়ী হয় না। – ইমারসন   দুর্বলের পক্ষে সবলের অনুকরন ভয়াবহ।- দিজেন্দ্রলাল রায়    অভাগা যদ্যপি চায় সাগর শুকায়ে যায়।- মুকুন্দরাম    কুপে থুথু ফেলনা। কারণ, হয়ত কখনো তোমার এ কুপ থেকে পানি পান করার প্রয়োজন হতে পারে। – সংগৃহীত    যে হিংসা করে সে সবার আগে নিজের ক্ষতি করে।- সংগৃহীত   “ উপার্জনে আমাদের সুযোগ কম বলেই আসক্তি সঞ্ছয়ে ভিতু আমরা ”- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।    নিয়তি তোমার আত্মীয় বেছে দেয়, আর তুমি বেছে নাও তোমার বন্ধু। – জ্যাক দেলিল [১৭৩৮-১৮১৩], ফরাসী কবি।  

উপরে ভাগ্য নিয়ে উক্তি দেয়ার চেষ্টা করেছি।আশাকরি আপনাদের ভালো লাগবে। আমাদের সাথে থাকার জন্য আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ।

Download full app from the link given below :

https://play.google.com/store/apps/details?id=com.arefin.bani

সাইয়েদ কুতুব এর উক্তি

০১/ যে সমাজে মানবীয় মূল্যবোধ ও নৈতিকতার প্রাধান্য থাকে সে সমাজই সভ্য সমাজ।- সাইয়েদ কুতুব (রহিমাহুল্লাহ)

০২/ আমার কাছে এটা কোন বিষয় নয় যে, আমি কোথায় মরতে যাচ্ছি এবং কিভাবে যালিমরা আমার মৃত্যুদন্ড দেবে। আমিতো এতেই সন্তুষ্ট যে, আমি আল্লাহর একজন অনুগত বান্দা হিসাবে শাহাদতের পেয়ালা পান করতে যাচ্ছি।সাইয়েদ কুতুব (রহিমাহুল্লাহ)

০৩/ কোরআনের ছায়াতলে জীবন অতিবাহিত করতে পারাটা এক বিশাল অনুগ্রহ। এ ব্যাপারটি কেবল তাদের দ্বারাই উপলব্ধি করা সম্ভব যারা এর অভিজ্ঞতা লাভ করতে পেরেছে। এ এক এমন সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা যা জীবনকে উদ্দেশ্যমন্ডিত করে এবং তাকে বাঁচার উপযোগী করে তোলে।- সাইয়েদ কুতুব (রহিমাহুল্লাহ)

০৪/ মতপার্থক্য কখনো বিতর্ক উস্কে দেয় না। অহং-ই (ইগো) মূলত কোন মতবাদে বিশ্বাসী এমন প্রত্যেকেকে বিতর্ক চালিয়ে যাওয়ার জন্য উদ্বুদ্ধ করে যখন তার সামনে পরিস্কার হয়ে যায়, সত্য তার মতবাদে নিহিত নয়। আসলে, সে যখন দাঁড়িপাল্লায় নিজের অহং আর সত্যকে স্থাপন করে শুরুতেই নিজের অহং-এর (ইগো) পাল্লায় ভার বেশী দিয়ে দেয়। – সাইয়েদ কুতুব (রহিমাহুল্লাহ)

০৫/ মু’মিন প্রকৃতপক্ষেই শ্রেষ্ঠ। কারণ তারা যেমন শ্রেষ্ঠ, তেমনি শ্রেষ্ঠ তাঁর আকীদা-বিশ্বাসের উৎস। বিশাল সাম্রাজ্য তার দৃষ্টিতে নগণ্য মাত্র। বিপুল শক্তির অধিকারী ব্যক্তিবর্গ তার নিকট তুচ্ছ। সমাজে প্রচলিত জনপ্রিয় সংখ্যক মানুষকে কোন বিষয় পছন্দ করতে দেখেই মু’মিন সে বিষয়ের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে যায় না।- সাইয়েদ কুতুব (রহিমাহুল্লাহ)

০৬/ মানবজাতির নেতৃত্ব দানের জন্যে আমাদের বৈষয়িক উন্নতি ছাড়া ও ছাড়া আরো অতিরিক্ত কিছু পেশ করতে হবে। আর তা হচ্ছে মানব জীবন সম্পর্কে মৌলিক বিশ্বাস (ঈমান) এবং সে বিশ্বাসের ভিত্তিতে রচিত জীবন বিধান।- সাইয়েদ কুতুব (রহিমাহুল্লাহ)

০৭/ আল্লাহর সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে বিদ্রোহাত্মক আচরণই হচ্ছে জাহিলিয়াতের প্রমাণ।- সাইয়েদ কুতুব (রহিমাহুল্লাহ)

০৮/ আমাদের ঈমানের উৎস হচ্ছে কুরআনের মৌলিক শিক্ষা।- সাইয়েদ কুতুব (রহিমাহুল্লাহ)

Download full app from the link given below : https://play.google.com/store/apps/details?id=com.arefin.bani

হাসান আল-বাসরী (রাহিমাহুল্লাহ) এর উক্তি

০১/ এই দুনিয়াতে কল্যাণময় হচ্ছে জ্ঞানার্জন ও আল্লাহর ইবাদাত করা এবং আখিরাতে কল্যাণময় হচ্ছে জান্নাত।- আল হাসান আল-বাসরী (রাহিমাহুল্লাহ)

০২/ যেসব মানুষ তার সৃষ্টিকর্তার উপরে সন্তুষ্ট হয়নি যদিও তিনি তাদের সবকিছুর দাতা, তারা কীভাবে তাদের মত অন্য একজন সৃষ্টির উপরে সন্তুষ্ট হতে পারে?- আল হাসান আল-বাসরী (রাহিমাহুল্লাহ)

০৩/ আপনি আসলে কতগুলো দিনের সমষ্টি ছাড়া আর কিছুই না। যখন একটি দিন পার হয়ে যায়, আপনার একটি অংশ ক্ষয় হয়ে যায়।- আল হাসান আল-বাসরী (রাহিমাহুল্লাহ)

০৪/মুমিন মুমিনের অংশ। সে তার ভাইয়ের জন্য আয়না স্বরূপ; সে তার ভাইয়ের মধ্যে অপছন্দনীয় কিছু দেখলে তাকে সংশোধন ও ঠিক-ঠাক করে দেবে এবং গোপনে ও প্রকাশ্যে তার কল্যাণ কামনা করবে।- আল হাসান আল-বাসরী (রাহিমাহুল্লাহ)

০৫/ দুনিয়ার জীবনের তুচ্ছ আর ক্ষণস্থায়ী ভোগবিলাস ও আনন্দগুলো যেন আপনাকে মোহগ্রস্ত ও বিভ্রান্ত করতে না পারে এবং সবসময় আগামীকালের কথা বলতে থাকবেন না, কেননা আপনি জানেন না যে কখন আপনাকে আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে চলে যেতে হবে।- আল হাসান আল-বাসরী (রাহিমাহুল্লাহ)

০৬/ আমরা হাসি-ঠাট্টা করি, কিন্তু কে জানে– হয়তো আল্লাহ আমাদের কিছু কাজকর্ম দেখে বলছেন: আমি তোমাদের কাছ থেকে কোনো আমলই গ্রহণ করব না।-আল হাসান আল-বাসরী (রাহিমাহুল্লাহ)

০৭/ পৃথিবীর জীবনটা তিনটি দিনের– গতকালের দিনটিতে যা করা হয়েছে সেগুলো নিয়ে সেটি চলে গেছে; আগামীকালের দিনটিতে হয়ত আপনি না-ও পৌছতে পারেন; কিন্তু আজকের দিনটি আপনার জন্য সুতরাং যা করার আজই করে নিন।-আল হাসান আল-বাসরী (রাহিমাহুল্লাহ)

০৮/ আমি সেসব মানুষদের (সালাফদের) দেখেছিলাম তারা তাদের দিরহাম ও দিনারের (অর্থাৎ, তাদের টাকার) চেয়ে সময়ের প্রতি অনেক বেশি যত্নবান ছিলেন।-আল হাসান আল-বাসরী (রাহিমাহুল্লাহ)

০৯/ নিকৃষ্ট তো সেই মৃতব্যক্তির পরিবারের মানুষগুলো, যারা মৃত মানুষটির জন্য কান্নাকাটি করে অথচ তার রেখে যাওয়া ঋণ পরিশোধ করে না।- আল হাসান আল-বাসরী (রাহিমাহুল্লাহ)

১০/ কম বয়সে কোন কিছু শেখার প্রভাব অনেকটা পাথরের উপরে খোদাই করে লেখার মতন।- আল হাসান আল-বাসরী (রাহিমাহুল্লাহ)

১১/ হে আদমের সন্তানেরা! পৃথিবীর মাটির উপরে যতক্ষণ ইচ্ছা করে হেঁটে নাও কেননা খুব শীঘ্রই সেটা তোমার কবরে পরিণত হয়ে যাবে। মায়ের গর্ভ থেকে বেরিয়ে আসার পর থেকে তো তোমার জীবনের আয়ু কমে যাওয়াকে তুমি ঠেকিয়ে রাখতে পারনি।- আল হাসান আল-বাসরী (রাহিমাহুল্লাহ)

১২/ বুদ্ধিমান ব্যক্তির জিহবা তার হৃদয়ের পেছনে থাকেঃ সে যখন কথা বলতে চায়, প্রথমে সে চিন্তা করে। যদি শব্দগুলো তার জন্য কল্যাণকর হয় তাহলে সে তা বলে। আর যদি কথাগুলো তার জন্য অকল্যাণকর হয় তাহলে সে চুপ থাকে।- আল হাসান আল-বাসরী (রাহিমাহুল্লাহ)

১৩/ একজন মূর্খ ব্যক্তির জিহবা তার হৃদয়ের সামনে থাকেঃ সে কথা বলার সময় খুব কমই চিন্তা করে এবং তার জন্য কল্যাণকর বা অকল্যাণকর যা-ই হোক সে বলে ফেলে।- আল হাসান আল-বাসরী (রাহিমাহুল্লাহ)

১৪/ তোমাদর আগে পৃথিবীতে যারা ছিলেন তারা মনে করতেন মৃত্যু তাদের সন্নিকটে। তাদের একেকজন পবিত্রতা অর্জনের জন্য পানি সংগ্রহ করে নিতেন, প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতেন এবং তারপর ওযু করতেন আল্লাহর নির্দেশের (মৃত্যু) ভয়ে যেন তা এমন অবস্থায় না আসে যখন তিনি পবিত্র অবস্থায় নেই।- আল হাসান আল-বাসরী (রাহিমাহুল্লাহ)

১৫/সালাফগণ রাতে সলাতে দাঁড়িয়ে কুরআন তিলাওয়াত করতেন এবং দিনের বেলা কুরআনের নির্দেশ অনুযায়ী আমল করতেন।- আল হাসান আল-বাসরী (রাহিমাহুল্লাহ)

১৬/আল্লাহর যিকরে, সলাতে এবং কুরআন তিলাওয়াতে যে ব্যক্তি সুখ খুঁজে পায় না, সে অন্য কোথাও তা খুঁজে পাবে না।-আল হাসান আল-বাসরী (রাহিমাহুল্লাহ)

১৭/পারস্পরিক হাত মেলানো (করমর্দন) বন্ধুত্ব বাড়ায়।-আল হাসান আল-বাসরী (রাহিমাহুল্লাহ)

১৮/  একজন মু’মিনের যত গুণাবলী রয়েছে তার মধ্যে শ্রেষ্ঠ হলো ক্ষমাশীলতা।-আল হাসান আল-বাসরী (রাহিমাহুল্লাহ)

১৯/ মন্দের মূল তিনটি এবং শাখা ছয়টি। মূল তিনটি হলো — ১) হিংসা-বিদ্বেষ, ২) লোভ-লালসা এবং ৩) দুনিয়ার প্রতি ভালোবাসা। আর শাখা ছয়টি হলো — ১) নিদ্রা, ২) পেট ভরে খাওয়া, ৩) আরাম-আয়েশ, ৪) নেতৃত্ব, ৫) প্রশংসা পাওয়া ও ৬) গর্ব-অহংকারের প্রতি আকর্ষণ ও ভালোবাসা।-আল হাসান আল-বাসরী (রাহিমাহুল্লাহ)

২০/ আমি এমন মানুষদের (সাহাবা) সান্নিধ্য অর্জন করেছিলাম যারা তাদের কোন সৎকাজকে ছেড়ে দেয়া যতটা ভয় করতেন তা তোমরা তোমাদের পাপকাজের পরিণামকে যতটুকু ভয় কর তার চাইতেও বেশি।-আল হাসান আল-বাসরী (রাহিমাহুল্লাহ)

২১/ দুনিয়ার জীবনকে আখিরাতের জন্য বিক্রি করলে আপনি দুই জীবনেই জয়ী হবেন। আখিরাতের জীবনকে দুনিয়ার জন্য বিক্রি করলে আপনি দুই জীবনেই পরাজিত হবেন।- আল হাসান আল-বাসরী (রাহিমাহুল্লাহ)

Download full app from the link given below : https://play.google.com/store/apps/details?id=com.arefin.bani

শেখ হাসিনার উক্তি – Sheikh Hasina Quotes In Bengali

“সব হারিয়ে আমার শুধু দেবার পালা, মানুষের জন্য করে যাচ্ছি। দেশের মানুষের জন্য যা ত্যাগ করার করবো, আমি জীবন দিতেও প্রস্তুত” – Sheikh Hasina

 

“কী পেলাম, কী পেলাম না, সে হিসাব মেলাতে আমি আসিনি। কে আমাকে রেকোগনাইজ করলো আর কে করলো না, সে হিসাব আমার নাই। একটাই হিসাব, এই বাংলাদেশের মানুষ, তাদের ভাগ্য পরিবর্তনে কিছু কাজ করতে পারলাম কি না, সেটাই আমার কাছে বড়” – Sheikh Hasina

 

“অসুস্থ হলে আমাকে বিদেশে নিবেন না, আমি দেশের মাটিতেই চিকিৎসা নিব” – Sheikh Hasina

 

“বাঙালি ঐক্যবদ্ধ হলে অসাধ্য সাধন করতে পারে” – Sheikh Hasina

 

“অনেক রক্ত আর ত্যাগ তিতিক্ষার বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে আমাদের এই স্বাধীনতা। কাজেই এ দায়িত্ব পালনে সেনাবাহিনীর সজাগ ও সদা প্রস্তুত থাকতে হবে। যাতে এই স্বাধীনতা নিয়ে যেন কেউ ছিনিমিনি খেলতে না পারে” – Sheikh Hasina

 

“বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে বাংলাদেশ আরো আগেই একটি উন্নত দেশে পরিনত হত” – Sheikh Hasina

 

“সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ সৃষ্টিকারীরা যেন ক্ষমতায় এসে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা ব্যাহত করতে না পারে। সেজন্য প্রত্যেককে সজাগ থাকতে হবে” – Sheikh Hasina

 

“আমার কাছে ক্ষমতা মানেই হচ্ছে জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন করা। জনগণের জন্য নিঃস্বার্থভাবে কাজ করা” – Sheikh Hasina

 

“ব্যবসা করতে আসিনি, দেশ গড়তে এসেছি” – Sheikh Hasina

 

“যদি আলোচিত হতে চাও, সমালোচনা কে ভয় করো না| মনে রেখো সমালোচনাও এক প্রকার আলোচনা” – Sheikh Hasina

 

“আমি শান্তি চাই, প্রধানমন্ত্রীত্ব চাই না” – Sheikh Hasina

 

“আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে দেশের জনগণ কিছু পায় আর বাকি সবাই লুটে খায়” – Sheikh Hasina

 

“আমার বেয়াই রাজাকার হলেও যুদ্ধাপরাধী নয়” – Sheikh Hasina

 

“আমার চেয়ে বেশী দেশপ্রেমিক আর কে আছে?” – Sheikh Hasina

 

“মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানকে সমর্থনকারী শক্তিধর দেশের শিকার হয়েই বঙ্গবন্ধুকে জীবন দিতে হয়েছে” – Sheikh Hasina

 

“দেশের মানুষ এখন চার বেলা খাচ্ছে” – Sheikh Hasina

 

“দেশে এখন কোনো বিদ্যুৎ ঘাটতি নেই। মানুষের যাতে মনে থাকে যে আগে লোডশেডিং ছিলো সেজন্য আমি ইচ্ছে করে লোডশেডিং করার নির্দেশ দিয়েছি” – Sheikh Hasina

 

“বিরোধী দলে গেলে কখনো হরতাল করবো না” – Sheikh Hasina

 

“আমার মন্ত্রীরা কথায় নয়; কাজে স্মার্ট” – Sheikh Hasina

 

“প্রতিবেশীর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা, সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বিদ্বেষ নয় আমার সারা জীবনের লক্ষ্য এটা” – Sheikh Hasina

 

“আমার ৭২ বছর বয়সের ৬০ বছরই কেটেছে রাজনীতিতে। স্কুল থেকে রাজনীতি শুরু করেছি এখনো অব্যাহত আছে। রাজনীতিতে কে কী করেছে অনেক ঘটনা চোখে দেখেছি” – Sheikh Hasina

 

“ডাক্তাররা রোগীকে মেরে ফেলতে চান না। রোগীর জন্য অনেক ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেন” – Sheikh Hasina

 

“বাঙালী জাতি এখন বিশ্বে মাথা উঁচু করে চলছে, আগামীতেও মাথা উঁচু করে চলবে, সেটাই হবে আমাদের আজকের দিনের প্রতিজ্ঞা” – Sheikh Hasina

 

“আমি নিজে নিয়মিত নামাজ পড়ি, কোরান থেকে তেলওযাৎ করে দিনের কাজ শুরু করি। আমি জানি, নবী করিম বলেছেন, ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করা যাবে না” – Sheikh Hasina

 

 

“মুক্তচিন্তার নামে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত বিকৃত রুচি” – Sheikh Hasina

 

“মেয়েরা ১০ গোল দেয়, ছেলেরা ৫ গোল খেয়ে আসে” – Sheikh Hasina

 

“আজ বিশ্বায়নের যুগে এককভাবে কোনো কিছু করা কষ্টকর। এর চেয়ে সহযোগিতা ও সহায়তা অনেক কিছুকে সহজ করে তুলতে পারে” – Sheikh Hasina

 

“সমাজে অসৎ পথে অর্থ উপার্জনের হার বেড়ে গেলে যেসব ব্যক্তি বা তাঁদের সন্তানেরা সৎ পথে জীবন নির্বাহ করতে চান, তাঁদের জন্য সেটা কঠিন হয়ে পড়ে। সৎভাবে চলতে গেলে একজনকে বেশ কিছু সীমাবদ্ধতা নিয়ে চলতে হয়। আর অসৎ উপায়ে উপার্জিত অর্থ দিয়ে এই ব্র্যান্ড–ওই ব্র্যান্ড, এটা-সেটা, হইচই, খুব দেখানো যায়। ফলাফলটা এই দাঁড়ায়, একজন অসৎ মানুষের দৌরাত্ম্যে যাঁরা সৎ জীবন যাপন করতে চান, তাঁদের জীবনযাত্রাটাই কঠিন হয়ে পড়ে” – Sheikh Hasina

 

“মৃত্যুকে মুঠোয় নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি” – Sheikh Hasina

 

“আমি আছি তাই বাংলাদেশ নিরাপদে আছে। আমার চোখ বন্ধ হলে কী হবে তা আল্লাহ রাব্বুল আলামিন জানেন” – Sheikh Hasina

মাওলানা আবদুল হাই এর উক্তি

  ★★★স্বপ্নের ছায়াটা দেখতে কালো হলেও তার আভাতেই জীবনের লালন।- মাওলানা আবদুল হাই   ★★★স্বার্থপর কোকিলের কোমলতার সুরে ডুবে যায় কাকের নিঃস্বার্থ হাঁক।-মাওলানা আবদুল হাই   ★★★মরুভুমি দুরান্তে তৃষ্ণার্থের পানির আঁধারই মরিচিকার মহা ফাঁদ।-মাওলানা আবদুল হাই  

আরো দেখুন – ভাগ্য নিয়ে মনীষীদের বানী

  ★★★আকাশের বিশালতায় তারকা পথভুলে না শুধুই মায়ার আশ্রয়ে হারায়।-মাওলানা আবদুল হাই   ★★★কষ্টের রাতগুলো দীর্ঘ হলেও ভাবনার দুয়ার রুদ্ধ বলে অাশা শূন্যতায় ডুবে।-মাওলানা আবদুল হাই   ★★★অব্যক্ত দর্শন আর অমাবস্যার চাঁদ দুটোতেই গোলাটে ভাব।-মাওলানা আবদুল হাই   ★★★দূর্গমতার ফল তেতো হলেও সুগম প্রাপ্তির চেয়ে সুস্বাদু।-মাওলানা আবদুল হাই   ★★★বাহ্যিক অন্ধত্ব আভ্যন্তরিণ অন্ধত্বের উপর মহা বিজয়ী।-মাওলানা আবদুল হাই   ★★★সহসা জ্বলে উঠার মাঝেই নিভে যাওয়ার উপযুক্ত কারণ ও ভয় বিদ্যমান।-মাওলানা আবদুল হাই   ★★★আমাতেই তাহার প্রকাশ, ভাবনাতে তার হয় বিকাশ,বিকাশের অশ্বরতার বিজয়ে আমিই বিনাশ।-মাওলানা আবদুল হাই   ★★★নিউটন,গ্যালিলিউ আর স্টিফেনদের অসার শূন্যতাও পূর্ণতা পায় সমাদৃতার ভীড়ে।-মাওলানা আবদুল হাই   ★★★সব শেষই সমাপ্তি আঁকে না গৌরচন্দ্রিকার পুষ্প ও ফুটায়।মাওলানা আবদুল হাই

তারিক রামাদান এর উক্তি

তারিক রামাদান (আরবি: طارق رمضان‎‎; জন্ম: ২৬শে অগাস্ট, ১৯৬২) একজন সুইস শিক্ষাবিদ, বুদ্ধজীবী এবং লেখক। তারিক রামাদান ২০০৪ খ্রিষ্টাব্দের এপ্রিল মাসের টাইম ম্যাগাজিনের জরীপ অনুযায়ী একুশ শতকে পৃথিবীর সেরা ১০০ জন বিজ্ঞানী এবং চিন্তাবিদদের মধ্যে অন্যতম। তিনি অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির ফ্যাকাল্টি অফ অরিয়েন্টাল স্টাডিস এর কন্টেমপরারি ইসলামিক স্টাডিস বিভাগের অধ্যাপক। এছাড়াও তিনি একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ধর্মতত্ত্ব বিভাগে অধ্যাপনা করেন। তিনি কাতার বিশ্ববিদ্যালয় এবং মালোয়েশিয়া পেরিলস বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিস বিভাগের ভিসিটিং প্রফেসর। তিনি জাপানের দোশিশা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো এবং কাতারে অবস্থিত রিসার্চ সেন্টার অফ ইসলামিক লেজিসলেশন অ্যান্ড এথিক্স এর ডিরেক্টর।

তিনি চিন্তা-গবেষণা বা ইজতিহাদের মাধ্যমে মুসলিম জীবনের সমস্যাগুলোর নতুন সমাধান এর জন্য সামাজিক বিজ্ঞান এবং ইসলামি ফিকাহ শাস্ত্রের মূলনীতি বা উসূল আল ফিকহ এর একটি নতুন সেতুবন্ধন তৈরীতে একটি পূনর্গঠনমূলক সংস্কারের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।[২] তিনি ত্রিশটির বেশি বই লিখেছেন এবং সারা পৃথিবীর অসংখ্য বিশ্ববিদ্যালয়ে বক্তৃতা করেছেন। – সূত্র – উইকিপিডিয়া

তারিক রামাদান সেরা ১০ টি উক্তি

০১/ হৃদয় আপনার বিনয়ের কেন্দ্র, মন হতে পারে আপনার দাম্ভিকতার উৎস।- তারিক রামাদান

০২/ আধ্যাত্মিকতা অর্জনের ব্যাপারটাই হলো নিজের নফসের সাথে ক্রমাগত জিহাদ করা।- তারিক রামাদান

০৩/ ইসলামে কোন সংস্কারের প্রয়োজন নেই। সংস্কার প্রয়োজন আমাদের মুসলিমদের মন-মানসিকতায়। – তারিক রামাদান

০৪/ মুসলিম হিসেবে গর্বিত হওয়াটা কোন স্ট্যাম্প নয় যা আপনার বুকের উপরে লাগানো থাকে, বরং এমন একটি আলো যা আপনার অন্তরকে আলোকিত করে রাখে।- তারিক রামাদান

০৫/ একটা কথা প্রচলিত আছে, যা রটে তার কিছু তো বটে। এটি একটি বাস্তব সত্য। কিন্তু একজন লোকের খুঁজে দেখা উচিত যে রটনার ঘটনাটাতে কী ঘটেছে এবং কে সেটা ঘটিয়েছে।-তারিক রামাদান

০৬/ ঘুমের চেয়ে নামাজ উত্তম। সুতরাং, জেগে উঠুন এবং নামাজে দাঁড়িয়ে যান। এর মাধ্যমে আপনি আপনার অহং (ইগো) থেকে নিজেকে মুক্ত করতে পারবেন।- তারিক রামাদান

০৭/ মুক্তি কী তা আপনি বুঝতে পারবেন না যদি শৃংখলা কী তা বুঝতে না পারেন।- তারিক রামাদান

০৮/ আপনার পথচলা যে সত্যিই আল্লাহর দিকে তার একটি ইঙ্গিত হলো, তখন আপনি ভয়ের উর্ধে থাকবেন। এটাই চুড়ান্ত মুক্তি।-তারিক রামাদান

০৯/ আপনি আজকে যা করছেন তা হয়ত আমি পছন্দ করিনা, কিন্তু তাই বলে আমি আপনাকে ছোট করবো না। কারণ, আগামীকালের আপনি হয়ত আজকের আমার চেয়ে ভালো হবেন।-তারিক রামাদান

১০/ প্রতিবন্ধকতাগুলো আপনার ঈমানকে দৃঢ় করে এবং আপনাকে জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনে সাহায্য করে।- তারিক রামাদান

তারিক রামাদান এর মূল্যবান বানী

*** সহানুভূতির ব্যাপারটা সবসময় আপনার কাছ থেকেই শুরু হয়। আপনি নিজেকে যতই ভালো করে খেয়াল করবেন এবং আপনার দুর্বলতাগুলোকে দেখতে পাবেন, অন্যদের ব্যাপারে আপনি ততই কম বিচারপ্রবণ হবেন।- তারিক রামাদান

***আমি যতই জ্ঞান অর্জন করি, আমার বিশ্বাস ততই দৃঢ় হয়। আমি যতই শিখি, আমি ততই সুন্দর করে আল্লাহর ইবাদাত করতে পারি। কারণ, প্রকৃতপক্ষে সমস্ত জ্ঞানের মহাজ্ঞানী আল্লাহ। আমি জ্ঞানার্জনের মাধ্যমে যা করতে চাই তা হলো — তাঁর কাছে যাওয়া। – তারিক রামাদান

***উত্তম চরিত্র সবসময় একটি প্রশ্ন দিয়ে শুরু হয়, “আমি কাজটি কেন করছি?-তারিক রামাদান

***আপনার মনের শক্তি হলো জ্ঞান; আপনার হৃদয়ের শক্তি হলো ভালোবাসা।- তারিক রামাদান

***আপনি যদি খুব ভালো একটা জীবন পেতে চান, কখনো ভুলবেন না যে আপনি একদিন মৃত্যুবরণ করবেন। – তারিক রামাদান

***মানুষকে খুশি করা খুবই কঠিন, আল্লাহকে খুশি করা সবচেয়ে সহজ।- তারিক রামাদান

***অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যত। হৃদয়ের জন্য কোন সময়ের সীমা নেই, সে তার আপন সময়টুকুই নেয়… ভালোবাসতে, ক্ষমা করতে, ভুলে যেতে।-তারিক রামাদান

***আপনার ভালো কাজগুলো আল্লাহর কোন প্রয়োজন নেই। আপনার করা ভালো কাজগুলো আপনার নিজেরই প্রয়োজন।- তারিক রামাদান

আশাকরি তারিক রামাদান এর উক্তি সমূহ আপনাদের জীবনের চলার পথে কাজে আসবে।

Download  full app from the link given below :

https://play.google.com/store/apps/details?id=com.arefin.bani

1 2 3 7