Authors

Authors

জনপ্রিয় লেখক তালিকা

সক্রেটিস (৪৭০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ-৩৯৯ খ্রিস্টপূর্বাব্দ) একজন প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক। আমরা এই মহান দার্শনিক সম্পর্কে জানতে পারি তাঁর শিষ্য প্লেটোর ডায়ালগ এবং সৈনিক জেনোফেনোর ডায়ালগসমূহ ও এরিস্টোফেনিসের নাটক সমূহ থেকে। তিনি ছিলেন একজন মহান শিক্ষক যার কোন শিক্ষা-প্রতিস্ঠান ছিলনা। তিনি মূলত য়েখানেই যাকে পেতেন মৌলিক প্রশ্নগুলোর উত্তর বোঝানোর চেস্টা করতেন। তৎকালীন শাসকরা তাকে হেমলক বিশ পান করানোর মাধ্যমে মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়।

প্লেটো(খ্রিষ্টপূর্ব ৪২৭ -৪২৮- খ্রিষ্টপূর্ব ৩৪৭)। প্লেটো ছিলেন বিশ্বের অন্যতম প্রধান এবং সম্ভবত সর্বশ্রেষ্ঠ দার্শনিক। তিনি মানবতাকে আরও পরিপূর্ণ করতে তাঁর নিষ্ঠার কারণে গুরুত্বপূর্ণ।সক্রেটিসের সবচেয়ে প্রিয় শিষ্য ছিলেন প্লেটো।

এরিস্টটল( জীবনকাল খ্রিষ্টপূর্ব ৩৮৪ -খ্রিষ্টপূর্ব ৩২২) গ্রিক বিজ্ঞানী ও দার্শনিক।তিনি ছিলেন প্লেটোর অন্যতম শিষ্য,তাঁকে প্রাণীবিজ্ঞানের জনক বলা হয়।এরিস্টটল সক্রেটিস ও প্লেটোর দর্শনসহ তারঁ পূর্বের সময়ের বিধ্যমান বিভিন্ন দর্শনের জটিল ও সদৃশ সমন্বয় দেখিয়েছিলেন।

 প্রফেসর আব্দুর রাজ্জাক(জীবনকাল ১৯১৪-২৮ নভেম্বর ১৯৯৯) একজন বাংলাদেশী পন্ডিত,বুব্ধিজীবী এবং বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় অধ্যাপক ছিলেন। তবে প্রফেসর আব্দুর রাজ্জাকের কিছু প্রবন্ধ এবং বকতৃতা ছাড়া তেমন কোনো প্রকাশিত কাজ না থাকলেও অনেক বুব্ধিজীবী তাদের প্রকাশিক রচনায় তাঁর প্রভাব স্বীকার করেছেন।বুব্ধিজীবী আহমদ ছফা রাজ্জাক স্যারের জীবন নিয়ে লিখেছেন যদ্যপী আমার গুরু। আব্দুর রাজ্জাকের সাক্ষাতকারের ভিত্তিতে লিখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও পূর্ববঙ্গীয় সমাজঃ অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাকের আলাপচারিতা। ড.সলিমুল্লাহ খান তার বকর্ততা নিয়ে লিখেছেন “বাংলাদেশঃ রাষ্টের রাষ্ঠ”। তাঁর অনুগতদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান,আহমদ ছফা আরও অনেকে।

কাজী নজরুল ইসলাম(২৫ মে ১৮৯৯-২৯ আগস্ট ১৯৭৬)। তিনি একজন বাঙ্গালী কবি এবং পরবর্তী কালে বাংলাদেশের জাতীয় কবি।তিনি বিংশ শতাব্দীর অন্যতম অগ্রনী বাঙ্গালী কবি ঔপন্যাসিক,নাট্যকার,সঙ্গীতজ্ঞ ও দার্শনিক ছিলেন।তার কবিতায় বিদ্রোহী দৃস্টিভঙ্গির কারণে তাকে বিদ্রোহী কবি নামে আখ্যায়িত করা হয়েছে।তিনি মানষের ওপর অত্যাচার এবং সামাজিক অনাচার ও শোষণের বিরুব্ধে সোচ্চার প্রতিবাদ তার কবিতার মাধ্যমে জানাতেন।

জসীম উদ্দিন( ১ জানুয়ারী ১৯০৩-১৪ মাচ ১৯৭৬) একজন বাঙ্গালী কবি,গীতিকার,ঔপন্যাসিক ও লেখক।তাঁর উপাধি হল- পল্লীকবি। ঐতিহ্যবাহী বাংলা কবিতার মূল ধারাটিকে নগরসভায় নিয়ে আসার কৃতিত্ব জসীম উদ্দিনের। তিনি আবাহমান বাংলার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে লালিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ আধুনিক কবি। তাঁর নকশী কাঁথার মাঠ ও সোজন বাদিয়ার ঘাট বাংলা ভাষায় গীতিময় উৎকৃষ্ঠতম নিদর্শনগুলোর অন্যতম।

আহমদ ছফা( জীবনকাল ৩০ জুন ১৯৪৩-২৮ জুলাই ২০০১) বাংলাদেশের একজন লেখক,ঔপন্যাসিক,কবি,চিন্তাবিদ ওগণবুব্ধিজীবী ছিলেন।বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় অধ্যাপক ও আহমদ ছফার গুরু ও শিষ্য  প্রফেসর আব্দুর রাজ্জাক স্যারের ও ড.সলিমুল্লাহ খানের মতে মীর মোশারফ হোসেন ও কাজী নজরুল ইসলামের পরে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাঙ্গালী মুসলমান লেখক হলেন আহমদ ছফা।তিনি ছিলেন একাধারে কবি,ঔপন্যাসিক,চিন্তাবিদ ও বিশিষ্ঠ কলামিস্ট।তাঁর লেখায় বাংলাদেশী জাতিসত্তার পরিচয় নির্ধারণ প্রাধান্য পেয়েছে।সলিমুল্লাহ খান মনে করেন ছফা বুব্ধিজীবী  হিসাবে স্বতন্র।হুমায়ুন আহমেদ আহমদ ছফা কে একজন আসম্ভব শক্তিধর লেখক বলে অভিহিত করেছেন এবং তাকে নিজের মেন্টর হিসাবে উল্লেখ করেছেন।

স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম গ্রন্থ হিসাবে মুক্তধারা থেকে প্রকাশ পায় ছফার প্রবন্ধ গ্রন্থ জাগ্রত বাংলাদেশ।

তিনি বলেন –আগে বুব্ধিজীবীরা পাকিস্তানী ছিলেন বিশ্বাসের কারণে নয়-প্রয়োজনে।এখন অধিকাংশ বাঙ্গালী হয়েছেন-সেও ঠেলায় পড়ে।

হুমায়ূন আহমেদ (জীবনকাল ১৩ নভেম্বর ১৯৪৮-১৯ জুলাই ২০১২ )তিনি বিংশ শতাব্দী জনপ্রিয় বাঙ্গালী কথা সাহিত্যিদরে মধ্য  অন্যতম।তিনি ছিলেন একাধারে ঔপন্যাসিক,ছোটগল্পকার,নাট্যকার এবং গীতিকার,চিত্রনাট্যকার ও চলচিত্রকার ও চলচিত্র নির্াতা।তাকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্ীকালের শ্রেষ্ঠ লেখক হিসাবে গণ্য করা হয়। তার বেশ কিছু গ্রন্থ স্কুল-কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচীর অন্তর্ক্ত করা হয়েছে এবং কিছু গ্রন্থ অন্য ভাষায় অনুবান করা হয়েছে। বাংলা কথা সাহিত্যে সংলাপপ্রধান নতুন শৈলীর জনক।এছাড়াও  তিনি বাংলায় আধুনিক বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীর পথিকৃৎ।

মুহাম্মদ ইকবাল( জীবনকাল ৯ নভেম্বর ১৮৭৭- ২১ এপ্রিল ১৯৩৮) ছিলেন ভারতবর্ষের মুসলিম কবি,দার্শনিক,শিক্ষাবিদ,রাজনীাতবিদ ও একজন ব্যারিস্টার।তাকে আধুনিক যুগের ফার্সি ও উর্দু সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি হিসাবে বিবেচনা করা হয়।তিনি  ব্যাপকভাবে আ্যল্লামা ইকবাল নামে পরিচিত। ইকবাল তার ইসলামিক রাজনৈতিক দর্শনের জন্য বিশেষভাবে পরিচিতি লাভ করেন।তাকে পাকিস্তানের আধ্যাতিক জনক হিসাবে স্বীকৃতি দেয়া হয়।

আবু হামিদ মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ আল গাজ্জালী(জীবনকাল ১০৫৮ খ্রিস্টাব্দ-১১১১ খ্রিস্টাব্দ)।বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তিনি ইমাম গাজ্জালী নামে ব্যাপকভাবে পরিচিত।তিনি ছিলেন মুসলিম বিশ্বের অন্যতম সুফিসাধক,শিক্ষাবিদ,তিনি তাঁর চিন্তাধরিা মুসলিমদের মধ্যে ছড়িয়ে দেয়ার মাধ্যমে ইসলামে বিশেষ স্থান অধিকার করে আছেন।

আবু মুহাম্মদ মুসলিহ আল দীন বিন আবদুল্লাহ শিরাজি (১২১০ খ্রিস্টাব্দ ১২৯১-১২৯২ খ্রিস্টাব্দ) তিনি সংক্ষেপে শেখ সাদী বা শিরাজি বলে ব্যাপকভাবে পরিচিত।তিনি মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ ফার্সি কবি ছিলেন।

 

নেলসন রোলিহ্লাহ্লা ম্যান্ডেলা ১৮ জুলাই-৫ ডিসেম্বর ২০১৩ ) নেলসন ম্যান্ডেলা হিসাবে পরিচিত দক্ষিন আফ্রিকার বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলনের বিপ্লবী রাজনৈতিক নেতা এবং প্রথম গণতান্ত্রিক ভাবে নির্বাচিত রাষ্ঠপতি। এছাড়াও তিনি দেশটির প্রথম কৃষাঙ্গ রাষ্ঠপতি।স্বাধীনতা,মানবাধিকার গণতন্র,সামাজিক ন্যায়বিচারের ক্ষেত্রে তার অবদানের জন্য জাতিসংঘ ১৮ জুলাই দিনটিকে “ নেলসন ম্যান্ডেলা আন্তর্জাতিক দিবস” হিসাবে ঘোষণা করে।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর( জীবনকাল ২৬ সেপ্টেম্বর ১৮২০-২৯ জুলাই ১৮৯১) উনবিংশ শতকের একজন শ্রেষ্ঠ সমাজ সংস্কারক,শিক্ষাবিদ এবং লেখক।তাঁর মূল নাম হল ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় সংস্কৃত ও বাংলা সাহ্যিত্যে তার অগাধ পান্ডিত্যের জন্য তাকে বিদ্যাসাগর উপাধি দেয়া হয়।তিনিই প্রথম একাদিক পাঠ্যপুস্তক ও সংস্কৃত ব্যাকরণ গ্রন্থ রচনা করেন।এছাড়াও নারীমুক্তির জন্য তিনি বিধবা বিবাহ,স্ত্রীশিক্ষার প্রচলন.বাল্যবিবাহ ও বহুবিবাহের মতো সামাজিক অভিশাপ দুরকরার জন্য ব্যাপক সংগ্রাম করেছেন।উনবিংশ শতকের বড়মাপের মানুষ হলেন বিদ্যাসাগর।

মহাত্না গান্ধী(জীবনকাল ) পুরো নাম- মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী। তাকে ভারতের জাতির জনক বলা হয়। তিনি ভারতসহ বিশ্বজুড়ো মহাত্না( মহান আত্না) এবং বাপু (বাবা) নামে পরিচিত। ভারতে তার জন্মদিন ২ অক্টোবর গান্ধী জয়ন্তী হিসাবে রাষ্ট্রীয় ভাবে পালন করা হয়।এছাড়াও ২ অক্টোবর কে জাতিসংগ ১৫ জুন ২০০৭ সালে আন্তর্জাতিক অহিংস দিবস হিসাবে ঘোষনা করা হয়।

স্বামী বিবেকানন্দ (জীবনকাল ১২ জানুয়ারী ১৮৬৩-৪ জুলাই ১৯০২) তাঁর মুল নাম নরেন্দ্রনাথ দত্ত।তিনি ছিলেন একজন সন্ন্যাসী,দার্শনিক,লেখক,সংগীতজ্ঞ। তিনিই প্রথম ভারতের বাহিরে ভারতীয় বেদান্ত ও যোগ দর্শনের প্রচারে প্রধান ভূমিকা রাখেন।ভারতে হিন্দু পূনর্জাগরনের অন্যতম ব্যক্তি ছিলেন তিনি।তার সবচেয়ে বিখ্যাত বকতৃতা “আমেরিকার ভাই ও বোনের “ ১৮৯৩ সালে যুক্তরাষ্টের শিকাগোতে বিশ্ব ধর্ম  মহাসভায় প্রদান করেন যার মাধ্যমে তিনি বিশ্ব ব্যপি পরিচিতি লাভ করেন।

উইলিয়াম হেনরি গেটস (জন্ম ২৮ অক্টোবর ১৯৫৫) তিনি মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা,চেয়ারম্যান,সাবেক প্রধান সফটওয়্যার নির্মাতা এবং সাবেক সিইও। এছাড়াও তিনি ১৯৭৫ সালে থেকে ২০০৭ এবং ২০০৯ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত পৃথিবীর সবরচয়ে ধনী ব্যক্তি হিসাবে ছিলেন। তিনি এবং তার বন্ধু  পল এলেন ১৯৭৫ সালে  মাইক্রোসফট প্রতিষ্ঠা করেন যা পরবর্তীকালে বিশ্বের সবচেয়ে বড় পিসি কোম্পানীতে পরিণত হয়।

সুভাষচন্দ্র বসু(জীবনকাল ১৮৯৭ ২৩ জানুয়ারী-মৃত্যু-??)এক কিংবদন্তি নেতা ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের।যিনি নেতাজী নামে ব্যপকভাবে পরিচিত।নেতাজী দুইবার ভারতীয় কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচিত হন। াদির্শগত কারণে তিনি কংগ্রেস থেকে পদত্যাগ করেন। তিনি বিশ্বাস করতেন গান্ধীজীর অহিংস ও সত্যাগ্রহ নীতি ভারতের স্বাধীনতার জন্য যথেস্ট নয় । তাই তিনি সশস্ত্র সংগ্রামের পথ বেছেনেন।নেতাজী ফরওয়ার্ড ব্লক নামক একটি রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠা করেন।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্বের সময় তিনি ভারত থেকে পালিয়ে গিয়ে সোভিয়েত ইউনিয়ন,জাপান,জার্মানী সফর করে তাদের সহযোগীতা কামনা করেন।তিনি হিটলারের সাথে দেখা করেন। জাপানের সহযোগীতায় তিনি আজাদ হিন্দ ফৌজ ও পরে আজাদ হিন্দ সরকার প্রতিষ্ঠা করেন এবং ব্রিটিশদের বিরুব্দে যুব্দ করেন।

আব্রহাম লিংকন ( জীবনকাল ১২ ফেব্রুয়ারী,১৮০৯-১৫ এপ্রিল ১৮৬৫)তিনি আমেরিকার ১৬ তম রাষ্ঠ্রাপতি এবং তিনিই রিপাবলিকান পার্টির প্রথম রাষ্ঠ্রপতি।লিংকন দাস প্রথার চরম বিরোধী ছিলেন। যার প্রেক্ষিতে তিনি ১৮৬৩ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ঠের দাস প্রথার অবসান ঘটান ও মুক্তি ঘোষনার মাধ্যমে দাসদের মুক্তি দেন।

মুহাম্মদ আলি জিন্নাহ(জীবনকাল-২৫ ডিসেম্বর ১৮৭৬-১১ সেপ্টেম্বর ১৯৪৮) তার জন্মনাম ছিল মুহাম্মদ আলি জিন্নাহভাই। তিনি ছিলেন একজন গুজরুটি রংশদভূত আইনজীবী,রাজনীতিবিদ ও পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা।জিন্নাহ ১৯১৩ সাল থেকে ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পর্যন্ত নিখিল ভারত মুসলিম লীগের নেতা ছিলেন।এছাড়াও তিনি ভারতীয় কংগ্রেসের নেতা ছিলেন গান্ধীজী যখন সত্যাগ্রহে অংশগ্রহন করলে জিন্নাহ ১৯২০ সালে কংগ্রেস থেকে পদত্যাগ করেন। তিনি ছিলেন পাকিস্তানের প্রথম গভর্নর জেনারেল হন।তাকে পাকিস্তান কায়েদে আজম ( মহান নেতা) ও বাবায়ে কওম (জাতির পিতা) হিসেবে সম্মান করা হয়।

স্টিভ জবস (জীবনকাল- ২৪ ফেব্রুয়ারী ১৯৫৫-৫ অক্টোবর ২০১১) পুরোনাম স্টিভেন পল জবস।তিনি একজন আমেরিকান উদ্যোক্তা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবক। তাকে পার্সোনাল কম্পিউটার বিপ্লবের পথিকৃৎ বলা হয়। তিনি অ্যাপল ইনকর্পোরেশনের প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম ও সাবেক প্রধান নির্বাহী ছিলেন। াবেং তিনি প েঅ্যপল থেকে পদত্যাগ করেন ও নেক্সট কম্পিউটার প্রতিষ্ঠা করেন।১৯৯৬ সালে অ্যাপল কম্পিউটার নেক্সট কম্পিউটারকে কিনে নিলে তিনি অ্যাপলে ফিরে আসেন। তিনি ১৯৯৫ সালে টয় স্টোরি নামের অ্যানিমেটেড চলচ্চিত্র প্রযোজনা করেন।

ওয়ারেন এডওয়ার্ড বাফেট ( জন্ম- ৩০ আগস্ট ১৯৩০ সাল) একজন মার্কিন বিয়োগকারী,ব্যবসায়ী এবং জনহিতৈক ব্যক্তি। তাকে বিবেচনা করা হয় বিংশতকের সবচেয়ে সফল বিনিয়োগকারী। ২০১১ সালে তিনি বিশ্বের তৃতীয় ধনী ব্যক্তি ছিলেন এবং ২০১২ সালে টাইম ম্যাগাজিন তাকে বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসাবে ঘোষনা করেন।
ওয়ারেন বাফেট একজন জনহিতৈক ব্যক্তি তিনি তার সম্পদের ৯৯ ভাগ জনকল্যাণমূলক কাজের জন্য দান করবেন বলে অঙ্গীকার করেন।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ( জীবনকাল ৭ মে ১৮৬১ -৭ আগস্ট ১৯৪১ ) ছিলেন বাঙ্গালী কবি ঔপন্যাসিক,নাট্যকার,চিত্রকার,ছোটগল্পকার,অভিনেতা,কন্ঠশিল্পী,প্রাবন্ধিক,সংগীতস্রষ্ঠা। তার উপাধী সমূহ হল-কবিগুরু,বিশ্বকবি,গুরুদেব। কবিগুরুর রচনা বিশ্বের বিভিন্ন ভাষায় অনুদিত হয়েছে।১৯১৩ সালে গীতাজ্ঞলী কাব্যগ্রন্থের ইংরেজী অনুবাদের জন্য তিনি সাহিত্যে প্রথম এশীয় হিসাবে নোবেল পুরুস্কার পান।